***আমি হিন দুনিয়া***

আমিহীন দুনিয়া… এই সুন্দর পৃথিবী, এতো সুন্দর মানুষগুলো ছেড়ে যে কোনো সময় চলে যেতে পারি মহান রবের কাছে। ভয়ও লাগছে, আশাও আছে। মরীচিকা পৃথিবী, মিছে সব মায়া। কেউ কাউকে মনে রাখে না। মনে রাখে ততক্ষণ যতক্ষণ প্রয়োজন। কবরে রেখে আসার পর সবাই ধীরে ধীরে ভুলে যায়। মাঝেমাঝে নিজেকে কবরে কল্পনা করে আমিহীন বাইরের দুনিয়াটা কল্পনা করি। দেখি সবই ঠিকঠাক চলছে। আমার জন্য কিছুই থেমে নেই। অফিসের আমার চেয়ারটাও খালি নেই। খালি নেই বাসার বিছানাটা। খালি নেই যাদের মনে যতটুকু ছিলাম সেই জায়গাগুলো। সব দখল হয়ে গেছে। আমার রেখে যাওয়া সম্পদ সবাই ভাগ করে ভোগ করছে। আমিহীন দুনিয়া বেশ ভালোই আছে। আমার আগে তারা ছিল তাহারা ও আমার মতো করে চলে গেছে, আমার পরে যহারা থাকবে তাহারা ও চলে যাবে, এভাবে ইং চলতে থাকবে ,কিন্তু কেউ জানে না আমি কেমন আছি ।

** ছাদে ও শিক্ষার্থীর গল্প**

🔴কিছু গল্প জীবনের জন্য শিক্ষা :🔴

টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বললেন,
জননী তোমার কি বিয়ে হয়েছে? “মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল” __হ্যাঁ স্যার। আমার একটা দুই বছরের ছেলে আছে। . টিচার চট করে দাঁড়ালেন। খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললেন, “আমরা আজ আমাদেরই একজনের প্রিয় মানুষদের নাম জানবো। এই কথা বলেই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বললেন, . মা আজকে তুমিই টিচার। এই নাও চক, ডাষ্টার।
যাও তোমার প্রিয় দশ জন মানুষের নাম লেখো। মেয়েটা বোর্ডে গিয়ে দশ জন মানুষের নাম লেখলো। টিচার বললেন,
.
এরা কারা? তাদের পরিচয় ডান পাশে লেখো। মেয়েটা এদের পরিচয় লেখলো।
.
সংসারের সবার নামের পাশে দুই একজন বন্ধু, প্রতিবেশীর নামও আছে। টিচার এবার বললেন,
.
–লিষ্ট থেকে পাঁচ জনকে মুছে দাও। মেয়েটা তার প্রতিবেশী, আর ক্লাশমেটদের নাম মুছে দিলো।
টিচার একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, আরো তিন জনের নাম মুছো। মেয়েটা এবার একটু ভাবনায় পড়লো। ক্লাশের অন্য ষ্টুডেন্টরা এবার সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টাকে। খুব মনযোগ
দিয়ে দেখছে মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ
করছে। মেয়েটার হাত কাঁপছে।
.
সে ধীরে ধীরে তার বেষ্ট ফ্রেন্ডের নাম মুছলো।
এবং বাবা আর মায়ের নামও মুছে দিলো। এখন মেয়েটা রিতিমত
কাঁদছে।
.
যে মজা দিয়ে ক্লাশটা শুরু হয়েছিলো, সেই মজা আর
নেই। ক্লাশের অন্যদের মাঝেও টানটান উত্তেজন।
লিষ্টে আর বাকী আছে দুইজন। মেয়েটার হাজবেন্ড আর
সন্তান। টিচার এবার বললেন, আরো একজনের নাম মুছো।
কিন্তু মেয়েটা ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো। কারো নাম মুছতে সে
আর পারছেনা। টিচার বললেন
.
–মা গো, এইটা একটা খেলা।
সাইকোলজিক্যাল খেলা। জাষ্ট প্রিয় মানুষদের নাম মুছে দিতে
বলেছি, মেরে ফেলতে তো বলিনি!!!
.
মেয়েটা কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে ছেলের নামটা মুছে দিলো।
টিচার এবার মেয়েটার কাছে গেলেন, পকেট থেকে একটা
গিফ্ট বের করে বললেন– তোমার মনের উপর দিয়ে যে
ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি দুঃখিত। আর এই গিফ্ট বক্সে
দশটা গিফ্ট আছে। তোমার সব প্রিয়জনদের জন্য।
.
এবার বলো, কেন তুমি অন্য নামগুলো মুছলে। মেয়েটা
বলল- প্রথমে বন্ধু আর প্রতিবেশীদের নাম মুছে দিলাম।
.
কারন তবু আমার কাছে বেষ্ট ফ্রেন্ড আর পরিবারের সবাই
রইলো। পরে যখন আরো তিন জনের নাম মুছতে
বললেন, তখন বেষ্ট ফ্রেন্ড আর বাবা মায়ের নাম মুছে
দিলাম। ভাবলাম, বাবা মা তো আর চিরদিন থাকবে না। আর বেষ্ট
ফ্রেন্ড না থাকলে কি হয়েছে?
.
আমার কাছে আমার পুত্র আর তার বাবাই বেষ্ট ফ্রেন্ড। কিন্তু
সবার শেষে যখন এই দুইজন থেকে একজনকে মুছতে
বললেন তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না।
.
পরে ভেবে দেখলাম, ছেলেতো বড় হয়ে একদিন
আমাকে ছেড়ে চলে গেলেও যেতে পারে। কিন্তু
ছেলের বাবাতো কোন দিনও আমাকে ছেড়ে যাবে না।
সূত্র – friendship forever.

**পাখিরগান **

.
কবিতারর ভাাণ্ডার
দুই হাজার সতেরো সালের ঘটনা। ঢাকার গুলিস্তানের আইল্যান্ডে দাঁড়িয়ে ‘যান্ত্রিক যন্ত্রনা’ নামে একটা কবিতা লিখেছিলাম, যার শুরুটা ছিলো এরকম- ‘লাউয়ের মাচা ঝিঙে দেখি না / দোয়েল শ্যামা ফিঙে দেখি না / দেখি না হলদে পাখি / আমি এক নিঠুর শহরে থাকি।’
আজ সকালে দেখি আমার জানালার পাশে একটা ফিঙে পাখি ডাকাডাকি করছে। মনে মনে ভাবলাম পাখিটা বুঝি আমাকেই ডাকছে। মোবাইলটা হাতে নিয়ে আনাড়ি হাতে ছবি তোলার চেষ্টা করলাম। অমনি ফুড়ুৎ। শুরু করলাম কবিতা লেখা। তবে, কাব্যের জন্য যে রোমান্টিকতা ও অন্তরদৃষ্টি দরকার, তার ছিটেফোঁটাও আমার নেই। তাছাড়া কবিতার তাল লয় ছন্দ মাত্রা বৃত্ত কিছুই বুঝি না। তবুও অদৃশ্য কোনো এক প্রেরণায় কখনো আনমনা হই, উদাসীন হই। গোপন সেই প্রেরণা থেকেই কবিতা লেখা। জানি, ডিজিটাল এই যুগে কবিতা কেউ পড়ে না। এমনকি নজরুল/রবীন্দ্রনাথের মতো অন্যান্য সব বিখ্যাত কবিদের কবিতাও আজকাল উপেক্ষিত। সবাই ব্যস্ত টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল, টুইটার, ফেসবুক, ই-মেইল নিয়ে। যেখানে অধিকাংশ মানুষের পেটের ক্ষুধা মেটে না, সেখানে মনের খোরাক নিয়ে ভাববার সময় কই? তবুও নিজের লেখা বলে কথা। মুসাফিরের কোনো একটি কবিতা যদি কখনো কারো হৃদয় ছুঁয়ে যায়, তাহলে লেখাগুলো স্বার্থক মনে হবে। আপনাদের ভালোবাসা আমাকে অনুপ্রাণিত করবে। ধন্যযোগ।
.
‘স্মৃতির পাখিরা’
.
ডাহুক কোরা / নীরব তোরা / শুনি না আর ডাক
স্মৃতির মাঠে / সাঁতার কাটে / বালিহাঁসের ঝাঁক।
.
আকাশ নীলে / মেলে দিলে / ধলি বকের ডানা
বকের সারি / কোথায় বাড়ি / মুসাফিরের জানা।
.
সকাল দুপুর / বাজায় নূপুর / আনন্দ ঝিলমিল
কী যে মজায় / উড়ে বেড়ায় / সোনালী রঙ চিল।
.
সবুজ টিয়ে / তোর কি বিয়ে / হয়েছিলো কাল
ঠোঁট দু’টি তাই / করেছো ভাই / আলতা রঙে লাল।
.
হলদে পাখি / তোমার নাকি / হলুদ শাড়ি গায়
কয়টা ছানা / আছে জানা / পাতার ঐ বাসায়।
.
টুনটুনি বউ / খোঁজো কি মৌ / তাই এতো টুনটুন
তোমার নানী / আনবে জানি / হাট থেকে পান চুন।
.
রঙিন জুঁটি / ছুটোছুটি / বুলবুলিরে কই
তোমার লাগি / রাত্রি জাগি / লিখি গানের বই।
.
বাবলা গাছে / শালিক নাচে / নতুন বাসা বেঁধে
প্যাঁচার ছানা / ভাঙ্গা ডানা / ক্লান্ত কেঁদে কেঁদে।
.
ফুরুৎ করে / আসে ঘরে / দুষ্ট চড়ুই পাখি
চালের কোণে / বাসা বোনে / কিচির মিচির ডাকি।
.
বৃষ্টি ভিজে / কষ্ট কী যে / কালো পাতি কাক
ভারি পাখা / ডাকে কা-কা / ওড়া বন্ধ থাক।
.
মাছরাঙাটায় / মাছ ধরে খায় / পুকুর খালে বিলে
পানকৌড়িটায় / হারিয়ে যায় / পানিতে ডুব দিলে।
.
দোয়েল কোয়েল / দেখায় যে খেল / শ্যামা বাজায় শিস
কয় মুসাফির / গানের পাখির / নাম মনে রাখিস।
.
ঝিঙে মাচায় / পুচ্ছ নাচায় / কালো ফিঙে পাখি
কানি বগায় / মাছ ধরে খায় / বিলের পাড়ে থাকি।
.
তিলা ঘুঘু / নীলা ঘুঘু / হড়িয়ালের দল
গাছের ডালে / সাঁঝ সকালে / মধুর কোলাহল।
.
বাকুম বাকুম / ভাঙায় যে ঘুম / পায়রা ডাকে খোপে
কালো কোকিল / ভরায় যে দিল / গান গায় ঝাড় ঝোপে।
.
তালের গাছে / হাওয়ায় নাচে / বাবুই পাখির বাসা
মুনিয়াটার / রঙের বাহার / মধুর ভালোবাসা।
.
চার দেয়ালে / কী খেয়ালে / এখন বন্দী রই
চেয়ে থাকি / স্মৃতির পাখি / হারিয়ে গেলো কই।
.

পাখিডাকা কবিতা

সাহাবী খালিদ বিন ওয়ালিদ।

মৃত্যুশয্যায় সাহাবী খালিদ বিন ওয়ালিদ। দূর্বল কন্ঠে তাঁর স্ত্রীকে বিছানায় পাশে বসতে বললেন। খুব প্রয়োজনীয় একটি প্রশ্নের উত্তর জানা যে বাকি রয়ে গেছে!

এই সেই মহাবীর খালিদ যিনি সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাপ্রধান। যার নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী ১০০ টিরও বেশি যুদ্ধে অংশ নিয়েছে এবং কোনোটাতেই পরাজয় বরণ করেনি।

তার রণকৌশল আজও বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণের সময় পাঠ্য হিসাবে শিখানো হয়! তাঁর নামে মুসলিম দেশগুলোতে আজও অনেক ব্রিগেড, যুদ্ধবিমান ও নৌযানের নামকরণ করা হয়।

এই সেই খালিদ বিন ওয়ালিদ যাকে স্বয়ং রাসূল মুহাম্মদ (সা.) ‘সাইফুল্লাহ’ উপাধি দিয়েছিলেন, যার মানে আল্লাহর তরবারি।
এই সেই খালিদ যিনি মুসলিম বাহিনীর সেনাপ্রধান হিসেবে তুখোড় বিজয়ী আর ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় তৎকালীন খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাবের নির্দেশে বিনা বাক্য ব্যয়ে সেনাপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে সাধারণ সৈনিক হিসেবে লড়াই করা শুরু করেন।

নেতার নেতৃত্ব মানতে হবে, এতো ইসলামে ভীষণ জোড় দিয়ে বলা। নেতার নির্দেশের প্রতি আনুগত্য একজন সত্যিকার বীরের মহত্ব।
স্ত্রীকে খালিদ বললেন, ‘প্রিয়তমা স্ত্রী, আমি বেশিক্ষণ বাঁচবো বলে মনে হচ্ছেনা। একটা আফসোস এই বিদায় বেলায় ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে, তুমি কি উত্তর দিতে পারো’?

খালিদের স্ত্রী বিনয়ের সাথে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হে মহাবীর, কি প্রশ্ন আপনার মনে’? ৫৭ বছরের খালিদ বললেন, ‘তুমি আমার সারাটা শরীর পরীক্ষা করে দেখো, এমন কোনো স্থান কি আমার শরীরে আছে যেখানে শত্রুর তরবারীর আঘাত নেই’?

দীর্ঘক্ষণ পরীক্ষা করে স্ত্রী উত্তর দিলেন, ‘না, আল্লাহর রাস্তায় আপনি এতো বেশি যুদ্ধ করেছেন যে শত্রুর আঘাত আপনার সারাটা শরীরেই আছে’। খালিদ বিন ওয়ালিদ তখন দুঃখ নিয়ে বললেন, ‘আল্লাহর কসম, প্রতিটা জিহাদে আমার নিয়ত থাকতো যেনো আমি ময়দানে শত্রুর আঘাতে মারা যাই, তাতে যেনো শহীদের মর্যাদা পাই।

কিন্তু আফসোস, দেখো আজ যুদ্ধের ময়দানে মৃত্যু না হয়ে আমার মৃত্যু হচ্ছে আমারই বিছানায়! আমায় কি আল্লাহ শহীদদের মাঝে রাখতে চাননা’?

স্বামীর আফসোস দেখে স্ত্রী কিছুক্ষণ মৌন রইলেন। এরপর করলেন সেই বিখ্যাত উক্তি, ‘আপনার নাম স্বয়ং রাসূল (সা.) রেখেছিলেন ‘সাইফুল্লাহ’- এমন কোনো তরবারী কি দুনিয়ায় আছে যেটা আল্লাহর তরবারীর মোকাবেলা করতে পারে?

তাইতো ময়দানে আপনার মৃত্যু হয়নি কারন আল্লাহ তাঁর তরবারী মাটিতে লুটিয়ে যেতে দেননি’। ভীষণ খুশি হলেন খালিদ বিন ওয়ালিদ, বুঝতে পারলেন আল্লাহর ইচ্ছা এবং কিছুক্ষণ পরে শান্তিতে বেহেস্তের রাস্তায় চলে গেলেন।

ঈদে কেনা কাটা

প্রেসিডেন্ট হযরত উমর (রাঃ) এর ঈদ শপিং!

ঈদের আগের দিন প্রেসিডেন্ট উমরের (রা) স্ত্রী নিজ স্বামীকে বললেন, ‘আমাদের জন্য ঈদের নতুন কাপড় না হলেও চলবে, কিন্তু ছোট বাচ্চাটি ঈদের নতুন কাপড়ের জন্য কাঁদছে’।

আরব জাহানের শাসক প্রেসিডেন্ট উমর (রা) বললেন, ‘আমার তো নতুন কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই’।

পরে প্রেসিডেন্ট উমর (রা) তার অর্থমন্ত্রী আবু উবাইদা (রা) কে এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠালেন।

সমগ্র মুসলিম জাহানের প্রেসিডেন্ট যিনি, যিনি সেই সময় প্রায় অর্ধেক পৃথিবী শাসন করছেন, তাঁর এ ধরণের চিঠি পেয়ে আবু উবাইদার (রা) চোখে পানি এসে গেল। উম্মতে আমীন আবু উবাইদা (রা) বাহককে টাকা না দিয়ে চিঠির উত্তরে লিখলেন, ‘আমীরুল মুমিনীন! অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দুটি বিষয়ে আপনাকে ফয়সালা দিতে হবে।

প্রথমত, আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি না?
দ্বিতীয়ত, বেঁচে থাকলেও দেশের জনসাধারণ আপনাকে সেই মেয়াদ পর্যন্ত খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কিনা?’

চিঠি পাঠ করে প্রেসিডেন্ট উমর (রা) কোন প্রতি উত্তর তো করলেনই না, বরং এত কেঁদেছেন যে তাঁর চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গেলো। আর হাত তুলে আবু উবাইদার (রা) জন্য দোয়া করলেন- একজন যোগ্য অর্থমন্ত্রী নির্বাচিত করতে পেরেছেন ভেবে।

তাহাজ্জুদ

রাত ৩টা বাজে।
ওঠো! আস্তে, ধীরে, যেন কেউ জানতে না পারে।
সবচেয়ে সুন্দর ও পবিত্র জামা নিয়ে হাম্মামখানায় বা গোসলখানায় অথবা ওয়াশরুমে যাও।
মিসওয়াক করে উত্তমরুপে গোসল করে সবচেয়ে সুন্দর জামাটি পড়ো; কাউকে দেখানোর জন্য না! একমাত্র আল্লাহর জন্য।
চোখে সুরমা লাগাও, মাথার চুল আঁচড়াও; হালাল সুগন্ধি লাগাও।
নিজেকে উত্তমরুপে সাজাও, আজকের এই গোসল, এই সাজ আল্লাহর জন্য। শুধুই মহান সৃষ্টিকর্তার জন্য।
জায়নামাজ বিছিয়ে ধীরস্থির ভাবে দুই রাকাত নামাজ পড়ো।
নামাজান্তে সেজদায় লুটিয়ে চোখের পানি ছেড়ে মহান সেই রবকে ডাকো, যিনি তোমার প্রার্থনা শোনার জন্য, তোমার চোখের পানি দেখার জন্য প্রথম আসমানে নেমে এসেছেন।
ধৈর্য্যধারণ করে,প্রশান্তচিত্তে,নামাজের মধ্যে তাঁকে ডাকতে থাকো।
সেই রব তোমার দোয়া কবুল করবেন না তো আর কার দোয়া কবুল করবেন!
তোমার ডাক শুনবেন না তো আর কার ডাক শুনবেন!
তুমি আর সেই ব্যক্তি কি এক হয়ে গেলে যিনি বেঘোরে ঘুমাচ্ছে আর তুমি অশ্রুবর্ষণ করে মহান রবের কুদরতি পা সিক্ত করছো!
না না তুমি আল্লাহর রহমতের ছাঁয়ার নিচে আর সে অনেক অনেক দূরে।
তোমার প্রার্থনায় আরশ কেঁপে ওঠছে, তকদির দোলছে, অবশেষে আল্লাহ তকদির পরিবর্তন করে বান্দার আরজি কবুল করেন।
.
তোমার দোয়া কবুল হয় না, তোমার দুঃখ মোচন হয় না, তোমার বিপদ আরো বেড়েই চলছে…।
ওই নিয়মে ডাকতে থাকো, আরে…যিনি মাত্র ৬ দিনে এই পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন যদি ডাকার মতো তাঁকে ডাকো তবে তোমার ইচ্ছে কবুল হতে ৬ মিনিটও লাগবে না।
পৃথিবীতে এমন কেউ কি আছে যে আল্লাহর কাছে কিছু চেয়েছে কিন্তু আল্লাহ তা দেয়নি? প্রমাণ করতে পারবে?
হুমম…হুবহু সেই জিনিসটি হয়তো দেননি তবে তার থেকে অনেক অনেক গুণ উত্তম কিছু দিয়েছেন। পরবর্তীতে প্রার্থনাকারী অবশ্যই তা টের পেয়ে লজ্জিত হয়ে বলেছেন- হায়! আমি কত বোকা, না বুঝে কত ছোট প্রার্থনাই না করেছিলাম।
..
কখনো কি আল্লাহর জন্য নিজেকে সাজিয়েছো?
ঐ ভাবে মহান রবকে ডেকেছো?

তাহাজ্জুদ

তাকদিরের প্রথি বিশ্বাস।

►►আমি তোমাদেরকে পাচটি বিষয় বলে দিচ্ছি, যদি তোমরা উটে চড়ে দ্রুত তা খুজে নাও তবে এর সুফল পাবে:

ক/ আল্লাহ ছাড়া আর কিছুতে আশা স্হাপন না করা
খ/ নিজের পাপ ছাড়া আর কোন কিছুকে ভয় না করা
গ/ যা নিজে জানো না সে বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হলে ‘আমি জানি না’ বলতে লজ্জাবোধ না করা
ঘ/ যা নিজে জানো না তা অন্যের কাছ থেকে শিক্ষা করতে লজ্জা না করা
ঙ/ এবং ধৈর্য্য ধারণ করতে অভ্যাস করা , কারণ দেহের জন্য মাথা যেরূপ ঈমানের জন্য ধৈর্য্য তদ্রুপ । ——– হযরত আলী (রাঃ)

সত্য প্রকাশ

স্বামী বাজারে গিয়ে স্ত্রীকে
ফোন করছে,
কিন্তু নাম্বার ওয়েটিং, স্বামী
বাসায় এসে
দরজার ওপাশ থেকে স্ত্রীকে
সালাম
দিলেন, তারপর জিজ্ঞাসা করলেন
কেমন
আছো??
স্ত্রী বলল ভাল, স্বামী বলল,
তোমায়
ফোন
করেছিলাম, কিন্তু নাম্বার
ওয়েটিং
ছিলো,
কোথায় কথা বলছিলে, স্ত্রী বলল
আমার
বান্ধবীর সাথে,
স্বামী বলল, আমার আল্লাহ
সুবহানাহু তায়ালা আদেশ করেছেন
সত্য বলার
জন্য, যদিও তোমার জীবন বিপন্ন
হয়ে
যায়,
আর বান্দা যখন মিথ্যা কথা বলে,
তখন
তাহার
মিথ্যা কথার দুর্গন্ধে ফেরেশতা ১
মাইল দূরে
চলে যায়। আর আল্লাহর রাসূল
বলেছেন,
আমার উম্মত কখনো মিথ্যাবাদী
হতে
পারেনা।
স্ত্রী কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর বলল,
আমার
এক
বন্ধুর সাথে কথা বলছিলাম,
স্বামী বলল দেখ
আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা, স্বামী
স্ত্রীর
সম্পর্ক হালাল, আর তুমি যে ছেলের
সাথে
কথা বললে, এমন ছেলেদের সাথে
কথা
বলা
হারাম, তুমি কি জানো জান্নাত
কোথায়।
স্ত্রী বলল না,
স্বামী বলল, হুজুর পাক (সাঃ)
বলেছেন, জান্নাত তোমার দু উরু ও দু
চোয়ালের মধ্যেখানে, যে ব্যক্তি
এই
দুটি
জিনিসের হেফাজত করবে, সে
জান্নাতি।
স্বামী নামাজে দাঁড়ালেন,
নামাজ
শেষে
স্ত্রীর জন্য দোয়া করলেন, ইয়া
আল্লাহ
তুমি
যদি হযরত ওয়াশী( রাঃ)মতো কঠিন
হৃদয়ের
মানুষকে, দ্বীনের বুঝ দিতে পারো,
হযরত
উমার ফারুক (রাঃ) মতো কঠিন
মানুষকে
দ্বীনের বুঝ দিতে পারো, তাহলে
আমার
স্ত্রীকে ও তুমি হেদায়েত দাও,
তার
মাধ্যমে
আমাকে নেক্কার সন্তান দাও।
স্ত্রী স্বামীর মোনাজাত শুনে,
চিন্তা করলো
আমি যার সাথে কথা বলি সে তো,
এই
মানুষের জুতা টানার যোগ্যতা
নাই, সব
কিছু
জেনেও আমাকে এতোটা
ভালবাসে।
আর
নয়, আজই তওবা করবো, আর স্বামীর
পায়ে
ধরে ক্ষমা চাইবো।
গভীর রাতে স্ত্রী তার স্বামীর
পায়ে ধরে
ক্ষমা চাইছে, স্বামী বলছে, আমি
জানি তুমি
অবুঝ, তাই ভূল করেছো, আল্লাহ
তোমায়
হেফাজত করুন, স্বামী তাহার
স্ত্রীকে
বুকে
টেনে নিয়ে চোখের পানি ছেড়ে,
আল্লাহর
দরবারে
শুকরিয়া আদায় করলো।
আমাদের সমাজে আজকাল এমন
ছেলে
পাওয়াই কষ্টকর, আপনার স্ত্রী তো
আর
ফেরেশতা নয়,
তাহলে তার ভূল গুলো কেন
সুধরে নিতে পারেন না।
আল্লাহ্ সবার ভাগ্যে এমন নেককার
স্বামী স্ত্রী নসিব
করে দিও, #আমিন,,,,,
যদি পোস্ট ভালো লাগে শেয়ার করতে বুলবেন না,, আপনার শেয়ার করার কারনে কারো হয়তো আলোর চোখ খোলে যেতে পারে,, ধন্যবাদ

আল্লাহকে ঋণ দিতে পারে?

সুরা হাদিদঃ আয়াত

১১.) এমন কেউ কি আছে যে আল্লাহকে ঋণ দিতে পারে? উত্তম ঋণ যাতে আল্লাহ‌ তা কয়েকগুণ বৃদ্ধি করে ফেরত দেন। আর সেদিন তার জন্য রয়েছে সর্বোত্তম প্রতিদান১৬

﴿ مَّنۡ ذَا الَّذِىۡ يُقۡرِضُ اللّٰهَ قَرۡضًا حَسَنًا فَيُضٰعِفَهٗ لَهٗ وَلَهٗۤ اَجۡرٌ كَرِيۡمٌ‏﴾

১৬) এটা আল্লাহ তা’আলার চরম উদারতা ও দানশীলতা যে, মানুষ যদি তাঁরই দেয়া সম্পদ তাঁর পথে ব্যয় করে তাহলে তিনি তা নিজের জন্য ঋণ হিসেবে গ্রহণ করেন। অবশ্য শর্ত এই যে, তা “কর্জে হাসানা” (উত্তম ঋণ) হতে হবে। অর্থাৎ খাঁটি নিয়তে কোন ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ছাড়াই তা দিতে হবে, তার মধ্যে কোন প্রকার প্রদর্শনীর মনোবৃত্তি, খ্যাতি ও নামধামের আকাঙ্ক্ষা থাকবে না, তা দিয়ে কাউকে খোঁটা দেয়া যাবে না, দাতা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই দেবে এবং এছাড়া অন্য কারো প্রতিদান বা সন্তুষ্টি লক্ষ্য হবে না। এ ধরনের ঋণের জন্য আল্লাহর দু’টি প্রতিশ্রুতি আছে। একটি হচ্ছে, তিনি তা কয়েকগুণ বৃদ্ধি করে ফেরত দেবেন। অপরটি হচ্ছে, এজন্য তিনি নিজের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম পুরস্কার দান করবেন। হাদীসে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ কর্তৃক বর্ণিত হয়েছে যে, এ আয়াত যখন নাযিল হয় এবং নবীর (সা.) পবিত্র মুখ থেকে লোকজন তা শুনতে পায় তখন হযরত আবদ দাহদাহ আনসারী জিজ্ঞেস করেনঃ হে আল্লাহর রসূল, আল্লাহ কি আমাদের কাছে ঋণ চান? জবাবে নবী (সা.) বলেনঃ হে আবুদ দাহদাহ, হ্যাঁ’। তখন তিনি বললেনঃ আপনার হাত আমাকে একটু দেখান। নবী (সা.) তাঁর দিকে নিজে হাত বাড়িয়ে দিলেন। আবুদ দাহদাহ নবীর (সা.) হাত নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে বললেনঃ “আমি আমার রবকে আমার বাগান ঋণ দিলাম” হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ বলেনঃ সেই বাগানে ৬ শত খেজুর গাছ ছিল। বাগানের মধ্যেই ছিল আবুদ দাহদাহের বাড়ী। তার ছেলে মেয়েরা সেখানেই থাকতো। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে এসব কথাবার্তা বলে তিনি সোজা বাড়ীতে গিয়ে হাজির হলেন এবং স্ত্রীকে ডেকে বললেনঃ “দাহদাহর মা, বেরিয়ে এসো। আমি এ বাগান আমার রবকে ঋণ হিসেবে দিয়ে দিয়েছি। স্ত্রী বললোঃ “দাহদাহর বাপ, তুমি অতিশয় লাভজনক কারবার করেছো” এবং সেই মুহূর্তেই সব আসবাবপত্র ও ছেলেমেয়েকে সাথে নিয়ে বাগান ছেড়ে চলে গেলেন” (ইবনে আবী হাতেম)। এ ঘটনা থেকে অনুমান করা যায় সে সময় প্রকৃত মু’মিনদের কর্ম পদ্ধতি কেমন ছিল। এ থেকে একথাও বুঝা যায় যে, যে কর্জে হাসানাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে ফেরত দেয়ার এবং তাছাড়াও আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে সম্মানজনক পুরস্কার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তা কেমন।

রোজার আদব

রোযারেখেটিভিদেখাগানশোনাবা__মেয়েদেরঅশ্লীলছবিদেখলেরোযাহবেকি?

প্রশ্নঃ-

মাননীয় মুফতি সাহেব,
আমি জানতে চাই, রোযা থাকাকালীন দিনের বেলায় যদি টিভি দেখি, অথবা অডিও গান শুনি এবং মেয়েদের ছবি দেখি, তাহলে কি আমার রোযা ভঙ্গ হবে❓

আর রাতে তো কেউ রোযা রাখে না, রাতে কি এইসব টিভি অডিও গান ভিডিও ও মেয়েদের ছবি দেখা যাবে?
আমি আসলেই এই বিষয়গুলো ভালভাবে জানতে চাই।

উত্তরঃ-

টিভি দেখা, গান শোনা, মেয়েদের ছবি দেখা প্রতিটি গোনাহের কাজ। রমজান ছাড়া যেসব কাজ পাপ। সেসব কাজ রমজানে করা আরো বেশি মারাত্মক পাপ ও গোনাহ। তাই এসব থেকে প্রতিটি মুমিন মুসলিমের বিরত থাকা উচিত।

যদিও কাজগুলো কবীরা গোনাহ পর্যায়ের। রোযার রূহানিয়্যাত এসব পাপের কারণে নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু এসব কারণে রোযা ভঙ্গ হয় না। কিন্তু রোযা মাকরূহ হয়ে যায়।

দিনে বা রাতে কখনোই উপরোক্ত কাজগুলো করা বৈধ নয়।

হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,

وَإِذَا كَانَ يَوْمُ صَوْمِ أَحَدِكُمْ فَلاَ يَرْفُثْ وَلاَ يَصْخَبْ

‘তোমাদের কেউ যখন রোযা রাখে তখন সে যেন অশালীন কথাবার্তা না বলে ও হৈ চৈ না করে। [সহীহ বুখারী হাদীস : ১৯০৪]

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” الصِّيَامُ جُنَّةٌ إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ صَائِمًا فَلَا يَرْفُثْ، وَلَا يَجْهَلْ،

আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ সওম পালন করলে সে যেন পাপাচারে লিপ্ত না হয় এবং মূর্খের ন্যায় আচরণ না করে। [সূনানে আবূ দাউদ-১/৩২২, হাদীস নং-২৩৬৩]

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّورِ وَالعَمَلَ بِهِ، فَلَيْسَ لِلَّهِ حَاجَةٌ فِي أَنْ يَدَعَ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ

হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা-প্রতারণা ও গুনাহর কাজ ত্যাগ করে না আললাহ তাআলার নিকট তার পানাহার থেকে বিরত থাকার কোনো মূল্য নেই।’ [বুখারী, হাদীস ১৯০৩] সুনানে আবু দাউদ হাদীস : ৩৩৬২ (১/৩২২)

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” كَمْ مِنْ صَائِمٍ لَيْسَ لَهُ مِنْ صِيَامِهِ إِلَّا الْجُوعُ، وَكَمْ مِنْ قَائِمٍ لَيْسَ لَهُ مِنْ قِيَامِهِ إِلَّا السَّهَرُ “

হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, বহু রোযাদার এমন রয়েছে, যাদের রোযা দ্বারা পিপাসা ছাড়া আর কোন লাভ হয় না এবং বহু রাত জেগে নামায আদায়কারী আছে, যাদের রাত্র জাগরণ ছাড়া আর কোন লাভ হয় না। [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-৯৬৮৫, সুনানে দারেমী-২/১৮৪, হাদীস নং-২৭২০,২৭৬২ ]

عَنْ أَبِي مَالِكٍ الْأَشْعَرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَيَشْرَبَنَّ نَاسٌ مِنْ أُمَّتِي الْخَمْرَ، يُسَمُّونَهَا بِغَيْرِ اسْمِهَا، يُعْزَفُ عَلَى رُءُوسِهِمْ بِالْمَعَازِفِ، وَالْمُغَنِّيَاتِ، يَخْسِفُ اللَّهُ بِهِمُ الْأَرْضَ، وَيَجْعَلُ مِنْهُمُ الْقِرَدَةَ وَالْخَنَازِيرَ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও ইরশাদ করেন,আমার উম্মতের কিছু লোক মদের নাম পরিবর্তন করে তা পান করবে। আর তাদের মাথার উপর বাদ্যযন্ত্র ও গায়িকা রমনীদের গান বাজতে থাকবে। আল্লাহ তাআলা তাদেরকে যমীনে ধ্বসিয়ে দিবেন এবং তাদের কতককে বানর ও শূকরে রূপান্তরিত করবেন।-সুনানে ইবনে মাজাহ হাদীস : ৪০২০;সহীহ ইবনে হিব্বান হাদীস : ৬৭৫৮।

فَالْعَيْنَانِ زِنَاهُمَا النَّظَرُ، وَالْأُذُنَانِ زِنَاهُمَا الِاسْتِمَاعُ، وَاللِّسَانُ زِنَاهُ الْكَلَامُ، وَالْيَدُ زِنَاهَا الْبَطْشُ، وَالرِّجْلُ زِنَاهَا الْخُطَا، وَالْقَلْبُ يَهْوَى وَيَتَمَنَّى، وَيُصَدِّقُ ذَلِكَ الْفَرْجُ وَيُكَذِّبُهُ

রাসূল সাঃ ইরশাদ করেন, চোখের জিনা হল [হারাম] দৃষ্টিপাত। কর্ণদ্বয়ের জিনা হল, [গায়রে মাহরামের যৌন উদ্দীপক] কথাবার্তা মনযোগ দিয়ে শোনা। জিহবার জিনা হল, [গায়রে মাহরামের সাথে সুড়সুড়িমূলক] কথোপকথন। হাতের জিনা হল, [গায়রে মাহরামকে] ধরা বা স্পর্শকরণ। পায়ের জিনা হল, [খারাপ উদ্দেশ্যে] চলা। অন্তর চায় এবং কামনা করে আর লজ্জাস্থান তাকে বাস্তবে রূপ দেয় [যদি জিনা করে] এবং মিথ্যা পরিণত করে [যদি অন্তরের চাওয়া অনুপাতে জিনা না করে]। {সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-২৬৫৭, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-৮৯৩২}

আল্লাহ আমাদের সবাইকে এ গোনাহ থেকে হেফাজত করুন – আমীন।

রমজানে শুভেচ্ছা

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু, আজ পবিত্র জুম্মার দিন মাহে রমজানের প্রথম রমজান রেখে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ, আহালান সাহালান মাহে রমজান।আসুন এই পবিত্র দিনে পবিত্র মাসে আমরা প্রত্যেকেই এবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি, আল্লাহ যেন আমাদেরকে মহামারী করুনা ভাইরাস থেকে রক্ষা করেন আমিন। Assalamu Alaikum wa Rahmatullahi wa Barakatuhu, today is the first Friday of the holy month of Ramadan and sincere greetings and blessings to all, Ahalan Sahalan Mahe Ramadan.Let us all pray to God for help in this holy day and in the holy month, may God protect us from the epidemic of mercy. Amen.

কি ছিলো আমার অপরাদ।

👉আমি কাশ্মীর বলছি,
হে বিশ্ববাসী বন্দি জীবন কেমন লাগছে?

👉আমি দিল্লি বলছি,,
হে বিশ্ববাসী আতংকে জীবন কেমন কাটছে?

👉আমি ফিলিস্তিন বলছি,,
হে বিশ্ববাসী লাশের পর লাশ দেখে কেমন লাগছে?

👉আমি সিরিয়া বলছি, প্রত্যেকটা দিন মৃত্যুর ভয়ে কারো সাথে দেখা না করার নির্দেশটা কেমন লাগছে?

👉আমি রোহিঙ্গা বলছি, আমি চীন বলছি ……..
আজ পৃথীবির সমস্ত জালিম শাসকদের সামনে উচ্চস্বরে বলতে মন চায়।

👉আল্লাহ ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না ।

👉ইয়া আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন।❤😥

পারিবারিক শিক্ষাই বড় শিক্ষা

একজনভালো মায়েরকোন বিকল্প নেই

কোন ছেলে বখাটে হয়ে জন্মায় না, নগ্নতা তাকে বখাটে করে তোলে। কোন মেয়ে নগ্নতা পছন্দ করে না; পরিবেশ তাকে নগ্নতা শিক্ষা দেয়। আর পরিবেশ তৈরী হয় মায়েদের মাধ্যমে।

মায়ের শিক্ষা-ই সন্তানের জন্য আসল শিক্ষা। মা যদি ভাল (আদর্শবান) ও সুশিক্ষিত হয়, তবে সন্তান নিঃসন্দেহে তেমনি হবে। তাই সমাজকে ভাল করতে হলে সমাজের প্রতিটি মাকে ভাল মা হতে হবে।

আধূনিক শিক্ষার পাশাপাশি দ্বীনি (ধর্মীয়) শিক্ষা অর্জন ব্যাতিত এ যুগের মেয়েরা ভাল হওয়া প্রায় অসম্ভব। যতদিন মায়েরা ভাল না হবে, ততদিনে আদর্শবান মেয়ে তৈরী হবেনা! আর আদর্শবান মেয়ে তৈরী না হলে এ সমাজ নগ্নতা মুক্ত হবেনা।

হে আল্লাহ সবাইকে বুঝার ও মানার তৌফীক দান করুন—-আমিন””

ইমান্দারের হায়াত ও মউত।

বিশ্বাসীর মৃত্যু তার সাথে আল্লাহর সাক্ষাতের দুয়ার

জন্মের সাথে মৃত্যু অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। দু’টির কোনটির ক্ষমতা মানুষের হাতে নেই। আল্লাহর হুকুমেই জন্ম হয়। আল্লাহর হুকুমেই মৃত্যু হয়। কখন হবে, কোথায় হবে, কিভাবে হবে, তা কারো জানা নেই। জীবনের সুইচ তাঁরই হাতে, যিনি জীবন দান করেছেন। অতঃপর জীবনদাতার সামনে হাযিরা দিয়ে জীবনের পূর্ণ হিসাব পেশ করতে হবে। হিসাব শেষে জান্নাত বা জাহান্নাম নির্ধারিত হবে ও সেখানেই চিরকাল শান্তিতে বাস করবে অথবা শাস্তি ভোগ করবে। আল্লাহ বলেন

,كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ وَإِنَّمَا تُوَفَّوْنَ أُجُورَكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَمَنْ زُحْزِحَ عَنِ النَّارِ وَأُدْخِلَ الْجَنَّةَ فَقَدْ فَازَ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلاَّ مَتَاعُ الْغُرُورِ- ‘

প্রত্যেক প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে এবং ক্বিয়ামতের দিন তোমরা পূর্ণ বদলা প্রাপ্ত হবে। অতঃপর যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে ও জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সে ব্যক্তি সফলকাম হবে। বস্ত্ততঃ পার্থিব জীবন প্রতারণার বস্ত্ত ছাড়া কিছুই নয়’
(সুরা আলে ইমরানঃ১৮৫)

দুনিয়ার এ চাকচিক্যে আমরা পরকালকে ভুলে যাই। অথচ নির্দিষ্ট আয়ুষ্কাল শেষে আমাদের সেখানে যেতেই হবে। কেউ আমাকে জগত সংসারে ধরে রাখতে পারবে না। আল্লাহ বলেন

وَمَا كَانَ لِنَفْسٍ أَن تَمُوتَ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ كِتَابًا مُّؤَجَّلًا ۗ وَمَن يُرِدْ ثَوَابَ الدُّنْيَا نُؤْتِهِ مِنْهَا وَمَن يُرِدْ ثَوَابَ الْآخِرَةِ نُؤْتِهِ مِنْهَا ۚ وَسَنَجْزِي الشَّاكِرِينَ

আর আল্লাহর হুকুম ছাড়া কেউ মরতে পারে না-সেজন্য একটা সময় নির্ধারিত রয়েছে। বস্তুতঃ যে লোক দুনিয়ায় বিনিময় কামনা করবে, আমি তাকে তা দুনিয়াতেই দান করব। পক্ষান্তরে-যে লোক আখেরাতে বিনিময় কামনা করবে, তা থেকে আমি তাকে তাই দেবো। আর যারা কৃতজ্ঞ তাদেরকে আমি প্রতিদান দেবো।
(সুরা আলে ইমরানঃ১৪৫)

তিনি বলেন,

إِنَّ اللَّهَ عِندَهُ عِلْمُ السَّاعَةِ وَيُنَزِّلُ الْغَيْثَ وَيَعْلَمُ مَا فِي الْأَرْحَامِ ۖ وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ مَّاذَا تَكْسِبُ غَدًا ۖ وَمَا تَدْرِي نَفْسٌ بِأَيِّ أَرْضٍ تَمُوتُ ۚ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ

নিশ্চয় আল্লাহর কাছেই কেয়ামতের জ্ঞান রয়েছে। তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং গর্ভাশয়ে যা থাকে, তিনি তা জানেন। কেউ জানে না আগামীকল্য সে কি উপার্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন দেশে সে মৃত্যুবরণ করবে। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
(সুরা লোকমানঃ৩৪)

তিনি আরও বলেন, …

فَإِذَا جَاءَ أَجَلُهُمْ لاَ يَسْتَأْخِرُونَ سَاعَةً وَلاَ يَسْتَقْدِمُونَ- ‘…

অতঃপর যখন সেই সময়কাল এসে যায়, তখন তারা সেখান থেকে এক মুহূর্ত আগপিছ করতে পারে না’
(সুরা নাহলঃ৬১)

দুনিয়ার পাগলেরা সুদৃঢ় ও সুউচ্চ প্রাসাদসমূহ নির্মাণ করে। অথচ তাকে চলে যেতে হবে সব ছেড়ে মাটির গর্তে। যেখানে তার নীচে, উপরে, ডাইনে ও বামে থাকবে স্রেফ মাটি। যা থেকে সে সারা জীবন গা বাঁচিয়ে চলেছে। অথচ আল্লাহ বলেন,

أَيْنَمَا تَكُونُوا يُدْرِكْكُمُ الْمَوْتُ وَلَوْ كُنْتُمْ فِي بُرُوجٍ مُشَيَّدَةٍ ‘

তোমরা যেখানেই থাক না কেন; মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই। যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান কর, তবুও।
(সুরা নিসাঃ ৭৮)

মৃত্যু ঈমানদারের জন্য উপহারস্বরূপ। একজন মুমিনের বিশ্বাস হলো, মৃত্যু পরকালের অনন্ত সুখ লাভের সিঁড়িমাত্র। তাই প্রকৃত মুসলমান মৃত্যুকে সানন্দে বরণ করে নেয়।

সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) পারস্য সম্রাটের দরবারে প্রবেশ করেন। কথোপকথনের একপর্যায়ে তিনি দৃঢ়স্বরে বলে ওঠেন, ‘হে সম্রাট! আপনার এখানে আমি এমন এক জাতি নিয়ে এসেছি, যারা মৃত্যুকে তেমনি ভালোবাসে, যেমনি ভালোবাসে জীবনকে।’

অতীতের মুসলিম মনীষীদের সামনে পাপের উপাদান ও ভোগের উপকরণ পেশ করা হতো। কিন্তু তাঁরা সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করতেন না। তাঁদের মৃত্যুর হুমকি দেওয়া হতো। তাঁরা তাতে বিচলিত হতেন না। মৃত্যুকে তাঁরা বরণ করে নিতেন হাসিমুখে। তাঁদের কাছে তাঁদের প্রতিপালকের সন্তুষ্টিই সব কিছুর ওপরে স্থান পেত।

ইবনে কাসির (রহ.) বর্ণনা করেছেন, একবার ওমর (রা.) রোমানদের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য একটি বাহিনী পাঠিয়েছেন। ওই বাহিনীতে আবদুল্লাহ বিন হোজায়ফা (রা.) নামে একজন যুবক সাহাবি ছিলেন। মুসলমান ও রোমানদের মধ্যে দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়। রোম সম্রাট মুসলমানদের অবিচলতা ও মৃত্যুর প্রতি থোড়াই কেয়ার দেখে বিস্মিত হন। তাই কিছু মুসলমান বন্দি হওয়ার পর সম্রাট একজন বন্দিকে তাঁর সামনে হাজির করতে বলেন। তারা আবদুল্লাহ বিন হোজায়ফা (রা.)-কে টেনেহিঁচড়ে সম্রাটের সামনে নিয়ে আসে। তাঁর হাতে হাতকড়া ও পায়ে বেড়ি পরানো ছিল। সম্রাট তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাঁর বুদ্ধি ও বিচক্ষণতা দেখে মুগ্ধ হন।

তিনি তাঁকে বলেন, তুমি খ্রিস্টান হও, তাহলে তোমাকে এই বন্দিশালা থেকে মুক্তি দেব। আবদুল্লাহ (রা.) দৃঢ়ভাবে তা প্রত্যাখ্যান করেন। এবার সম্রাট বলেন, তুমি খ্রিস্টান হলে আমার সাম্রাজ্যের অর্ধেক তোমাকে দিয়ে দেব। তোমাকে আমার সঙ্গে রাজত্বে অংশীদার করব। আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, আল্লাহর কসম, আপনি যদি আপনার সাম্রাজ্য, আপনার পূর্বপুরুষের সাম্রাজ্য ও আরব-অনারবের সব সাম্রাজ্য আমাকে এই শর্তে দেন যে আমি আমার ধর্ম থেকে সামান্য সময়ের জন্য ফিরে আসব, তবু আমি তা করব না।সম্রাট ক্রোধান্বিত হয়ে বলেন, তাহলে আমি তোমাকে হত্যা করব। তিনি বলেন, হ্যাঁ, আমি রাজি। তাহলে আমাকে হত্যা করুন।

সম্রাট তাঁকে টেনে নিয়ে যেতে বলেন। অতঃপর লোকেরা তাঁকে টেনে নিয়ে যায়। তারা তাঁকে একটি উঁচু স্থানে বেঁধে রাখে। সম্রাট তীরন্দাজ বাহিনীকে নির্দেশ দেন তাঁর চারপাশে এমনভাবে তীর নিক্ষেপ করতে, যেন তাঁর শরীরে তীর না লাগে। আর তিনি এই ফাঁকে তাঁর কাছে খ্রিস্টধর্ম উপস্থাপন করতে লাগলেন। কিন্তু আবদুল্লাহ (রা.) তাঁর দিকে ভ্রুক্ষেপও করেননি। তিনি মৃত্যুর প্রহর গুনতে লাগলেন। সম্রাট তাঁর ঈমানের অবিচলতা দেখে তাঁকে জেলখানায় বন্দি করে রাখতে বলেন।

সৈন্যরা বাঁধ খুলে তাঁকে জেলে নিয়ে যায়। সম্রাট তাঁকে দানা-পানি দিতে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে ক্ষুধায় কাতর হয়ে তিনি মৃত্যুর কাছাকাছি পৌছে যান।এ অবস্থায় তারা তাঁর সামনে মদ ও শূকরের গোশত উপস্থিত করে। আবদুল্লাহ (রা.) তা দেখে বলেন, আল্লাহর শপথ! আমার জানা আছে, এ অবস্থায় এই খাদ্য গ্রহণ করা আমার জন্য বৈধ। কিন্তু আমি চাই না, আমার মাধ্যমে কাফিররা আনন্দিত হোক। তাই তিনি সেই খাদ্যগুলো ছুঁয়েও দেখেননি। সম্রাট এ খবর শুনে তাঁর সামনে উত্তম খাবার পরিবেশনের নির্দেশ দেন। অতঃপর সম্রাট তাঁর কাছে একজন সুন্দরী নারী পাঠাতে বলেন। ওই নারীকে বলা হলো, তাঁকে যেন ব্যভিচারে বাধ্য করা হয়। ওই রূপসী তাঁকে ব্যভিচারে বাধ্য করার জন্য সব কলাকৌশল অবলম্বন করে। কিন্তু তিনি তার দিকে ভ্রুক্ষেপ করেননি। অবশেষে ওই নারী নিরাশ হয়ে বেরিয়ে আসে। তার ভাষ্য হলো, আল্লাহর কসম! আপনারা আমাকে এমন পুরুষের কাছে পাঠিয়েছেন, আমার জানা নেই, তিনি পুরুষ নাকি পাথর। সম্ভবত সেও জানে না, আমি নারী নাকি পুরুষ। সম্রাট সব চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শেষ চেষ্টায় মনোনিবেশ করেন। তিনি একটি পিতলের হাঁড়িতে তেল গরম করতে বলেন।

এরপর আবদুল্লাহ বিন হোজায়ফা (রা.)-কে তার সামনে দাঁড় করান। একজন মুসলিম বন্দিকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ওই ফুটন্ত তেলে নিক্ষেপ করা হয়, মুহূর্তের মধ্যে তাঁর দেহ তেলের সঙ্গে মিশে যায়। হাড়গুলো তেলের ওপর ভাসতে থাকে। আবদুল্লাহ বিন হোজায়ফা (রা.) তা স্বচক্ষে অবলোকন করেন। সম্রাট আবার তাঁকে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করতে বলেন। কিন্তু যথারীতি তিনি অস্বীকৃতি জানান। সম্রাটের ক্রোধ আরো বেড়ে যায়।

তাই এবার তিনি তাঁকেই ফুটন্ত তেলে নিক্ষেপ করতে বলেন। সৈন্যরা যখন তাঁকে টেনে হাঁড়ির কাছে নিয়ে যায়, তিনি আগুনের উত্তাপ অনুভব করেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি কেঁদে ফেলেন। সম্রাট ভাবেন, তিনি ভয় পেয়েছেন। তাই আনন্দিত হয়ে তিনি বলেন, তুমি খ্রিস্টান হও, আমি তোমাকে অর্ধরাজ্য দিয়ে দেব। তিনি আগের মতো অস্বীকৃতি জানান।তাহলে তার কান্নার হেতু কী?

আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, আমি কাঁদছি এই জন্য যে, আমার জীবন মাত্র একটি। এই জীবন এই হাঁড়িতে নিক্ষেপ করার সঙ্গে সঙ্গে নিঃশেষ হয়ে যাবে। অথচ আমি মনেপ্রাণে কামনা করি, যদি আমার ১০০ জীবন হতো, আর আমি প্রতিটি জীবন আজকের মতো আল্লাহর পথে দিতে পারতাম। তখন সম্রাট বলেন, তুমি আমার মাথায় চুম্বন করো, তাহলে আমি তোমাকে ছেড়ে দেব। আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, তাহলে আপনার কাছে থাকা সব মুসলিম বন্দিকে ছেড়ে দিতে হবে। সম্রাট বলেন, ঠিক আছে। আবদুল্লাহ (রা.) তাঁর কথা রাখেন। তিনি সম্রাটের মাথায় চুম্বন করেন। অতঃপর তাঁর সঙ্গে সব বন্দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গক্রমে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের কথা মনে পড়ে গেল। মৃত্যুর কিছুকাল আগে তার সঙ্গী-সাথীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছিলেন- মৃত্যুর পর তার হাত দুটো যেন কফিনের বাইরে বের করে রাখা হয়। যাতে করে সমস্ত পৃথিবীর মানুষ দেখতে পায় অর্ধেক পৃথিবীর যিনি অধীশ্বর তিনি আজ কবরে যাচ্ছেন একেবারে শূন্য হাতে। অন্যদিকে কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের বিশাল আবিষ্কারক প্রতিভা স্টিভ জোবসের সেই করুণ আর্তির কথা মনে পড়ে। কর্কট রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুশয্যায় তিনি বলেছিলেন- যদিও আজ আমি হাজার কোটি টাকার মালিক অথচ আমার সব সম্পদ মৃত্যু দেবতার হাতে অর্পণ করেও আরও একটি রাত বেশি বাঁচার কোনো উপায় নেই। অথচ কে বলবে এ স্টিভ জোবসই ২০০৫ সালে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন ভাষণে মৃত্যু নিয়ে রসিকতা করে বলেছিলেন- “এই জগতে কেউ মরতে চায় না, এমনকি যারা ভাবে মরে গেলে স্বর্গে যাবে, আর স্বর্গ হচ্ছে দারুণ একটা সুখের জায়গা, তারাও চায় না মরতে।

আল্লাহ স্বীয় নবীকে বলেন, إِنَّكَ مَيِّتٌ وَإِنَّهُمْ مَيِّتُونَ ‘নিশ্চয়ই তুমি মরবে এবং তারাও মরবে’ (যুমার ৩৯/৩০)। বিশ্ব ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ মানুষটিকে আল্লাহ নিজে এবং জিব্রীলকে পাঠিয়ে মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। অতএব মৃত্যুর কথা স্মরণ করা ও স্মরণ করিয়ে দেওয়া দু’টিই মুমিনের জন্য অবশ্য কর্তব্য। কেননা দুনিয়ায় লিপ্ত মানুষ মৃত্যুকে ভুলে যায়। এই ফাঁকে শয়তান তাকে দিয়ে অন্যায় করিয়ে নেয়। একারণেই রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, তোমরা বেশী বেশী করে স্বাদ বিনষ্টকারী বস্ত্তটির কথা স্মরণ কর’।অর্থাৎ মৃত্যুকে স্মরণ কর। যাতে দুনিয়ার আকর্ষণ হ্রাস পায় এবং আল্লাহর প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়। সেই সাথে তার দীদার লাভের জন্য হৃদয় ব্যাকুল হয়। মোঃ ইমরান খাঁন ***

উম্মতের সেজদাহ্।

এক মিনিট সময় ব্যয় করে পড়ুনঃ

জিবরাঈল (আঃ)কে আল্লাহ তায়ালা তৈরী করলেন।

জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালাকে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আপনি কিসে খুশি হন??
আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হই আমার বান্দা যখন আমাকে সিজদা করে। অত:পর জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে সিজদা করলেন ৩০ হাজার বছর ধরে।
জিবরাঈল (আঃ) মনে মনে খেয়াল করলেন আমার থেকে এত বড় দামি, এত বড় লম্বা সিজদা দুনিয়ার আর কেউ করতে পারবে না।
আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয় আমার প্রতি খুশি হবেন।
জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালার দিকে মুতাহজ্জির হয়ে রইলেন কিন্তু আল্লা তায়ালার পক্ষ থেকে কোন খুশির বাণী জনান হল না, জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালা কে জিজ্ঞাসা করলেন আল্লাহ আমি যে এত লম্বা সিজদা করলাম আপনি কি আমার সিজদার প্রতি কোন খুশি হন নাই? আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিলেন – জিবরাঈল তোমার জবাব আমি দেব তার আগে তুমি একটু আরশে আজিমের দিকে তাকাও, জিবরাঈল (আঃ) তাকিয়ে দেখলেন আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আরশে আল্লাহর কুদরতী নূর দ্বারা লিখা রয়েছে- ”লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ”
জিবরাইল (আঃ) জিজ্ঞাসা করলেন- হে আল্লাহ্!! আমার সিজদার সংগে এই কালিমার কি মিল?? আল্লাহ তায়ালা বললেন, ও জিবরাইল শোন আমি আল্লাহ এ দুনিয়া তৈরী করব ওই দুনিয়ার মানব জাতি ও জিন জাতির হিদায়াতের জন্য লক্ষাধিক নবি-রাসূলগনকে পাঠাব সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ কে পাঠাব
এই নবীর উম্মতের উপরে আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরয করব আর প্রতি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে সতেরটা করে রাকাত আমার জন্য ফরয করব প্রত্যেকটা রাকাতের মধ্যে দুটি করে সিজদা হবে আর প্রত্যেকটা সিজদার মধ্যে ওই নবির উম্মত তিনবার করে “সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-” পাঠ করবে। জিবরাইল তুমি জেনে রাখ আমার ওই মাহবুব নবীর উম্মত যখন সিজদায় গিয়ে “সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা-” বলে আমাকে ডাক দিবে, জিবরাইল তুমি ৩০ হাজার বছর সিজদা করে যে নেকি পেয়েছ, আমি আল্লাহ্ আমার বান্দার আমল নামায় এর থেকেও ৪০ হাজার গুন বেশি নেকি লিখে দিব, সুবহানাল্লাহ…!!
এই জন্য মুসা (আঃ) কাঁদছেন, আল্লাহ!! আমাকে ওই নবীর উম্মত বানাইয়া দাও, যে নবীর উম্মত এক সিজদায় জিবরাঈল (আঃ) এর সারা জীবনের ৩০ হাজার বছরের সিজদার নেকি নিয়ে গেল।।
আমরা সেই নবীর উম্মত আমাদের কি করা উচিত আর আমরা কি করছি…?
আল্লাহ আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার তৌফিক দিন। আমিন।,
শেয়ার করুন অন্য‌দের পড়ার সু‌যোগ দিন।

শুধ হারাম।

সুদখোররা আল্লাহর সাথে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেও

প্রিয়বন্ধু!!
. আস্-সালামু আলাইকুম। আজকের আলোচনায় শেয়ার করে শরীআতের একটা বিধান একে অপরকে জানাতে সহযোগিতা করুন। সেটা হচ্ছে “সুদ”। আমরা সকলে জেনে রাখি সুদ সবচেয়ে বড় একটা কাবীরা গুনাহ। মহান আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (সা)-এর প্রতি কঠিনতর ঘৃণা, ভয়ানক শাস্তি এবং সুদখোরকে তাঁর সাথে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে নিতে বলেছেন। আসুন, এমন ভয়ানক গোনাহ নিয়ে কিছু আলোচনা করি।
সূদের পরিচিতিঃ
আভিধানিক অর্থ- “গৃহীত ঋণের পরিমাণের উপর যে মূল্য নেওয়া হয়, বৃদ্ধি, কুসীদ।” পরিভাষায়- সুদ এমন এক বর্ধিত অংকের নাম, যা ঋণদাতা ঋণগ্রহীতার কাছ থেকে একটি স্থিরকৃত হার অনুযায়ী মূল অর্থের বাইরে আদায় করে থাকে তাকে শরীআতের পরিভাষায় সুদ বলে।
সুদ ইহুদীদের যাতা কলঃ
ইসলাম পূর্ব জাহিলিয়াতে আরবের অর্থনৈতিক অবস্থা শোচনীয় ছিল। সম্পদশালীরা বিশেষতঃ ইহুদীরা সুদের ব্যবসায় নিয়োজিত ছিল। এরা কৃষিজীবী, ব্যবসায়ী, কারিগর, এবং বেদুইন তথা লুট-তরাজ ও পশুপালন কোন কর্মই করত না; বরং সুদের কারবার–ই ছিল তাদের পেশা। গরীব লোকেরা জীবন ধারণের নানাবিধ প্রয়োজনে তাদের থেকে অধিক সুদে অর্থ গ্রহণ করত। সময়ের ব্যবধানে ঋণ গ্রহণকারীরা একপর্যায় সর্বশান্ত হয়ে যেত। কোন কোন সময় ঋণ ও সুদ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের স্ত্রী, পুত্র, কন্যা এবং বিত্ত-সম্পত্তি সুদখোরদের দখলে চলে যেত। তাজা মানুষের গায়ের গোশত কেটে নেয়ার এমন করুণ ঘটনাও সেখানে অহরহ ঘটে থাকত। সমাজে শৃংখলা নষ্টে বেদুইনরা যে হারে সর্বনাশ করেছে, এ শ্রেণীর মানুষেরা সর্বনাশ করেছে তার তুলনায় অনেক গুণ বেশী।
সুদখোরেরা জোঁকের থেকে ভয়ংকরঃ
জোঁক রক্তপায়ী কৃমি বিশেষের নাম। ক্ষেত-খামার ও জলাশয়ে এদের বসবাস। ধনীদের যেহেতু ক্ষেত-খামারে ও জলাশয়ে নামতে হয় না। সেহেতু ধনীরা সব সময় জোঁকের নাগালের বাইরে থাকে। সে কারণে জোঁক গরীবের রক্তই শোষণ করে। তবে এরা জোঁকের থেকে ভয়ংকর একারণে যে, জোঁকের ন্যায় এদেরকে আছড়ে মারা যায় না। সেদিক থেকে এরা মাসুষখেকো বাঘ/সিংহ-ই বটে।
সূদ সম্পর্কে ইসলামী বিধানঃ
(১) হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং লোকদের কাছে তোমাদের যে সুদ বকেয়া রয়ে গেছে তা ছেড়ে দাও যদি মুমিন হয়ে থাক। (সূরা- ২, বাক্বারাহ- ২৭৮)
(২) আল্লাহ তো বেচা-কেনা হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম ঘোষণা করেছেন। (সূরা- ২, বাক্বারাহ- ২৭৫)
(৩) যারা সুদ খাওয়া নিষিদ্ধ হওয়ার পরও তাতে লিপ্ত হবে তারাই যাহান্নামের অধিবাসী। তন্মধ্যে তারা চিরকাল অবস্থান করবে। (সূরা- ২, বাক্বারাহ- ২৭৫)
(৪) নিশ্চয়ই যারা সুদ খায় তারা তো সে ব্যক্তির মত ছাড়া উঠে দাঁড়াতে পারবে না যাকে শয়তান স্পর্শ দ্বারা উন্মাদ করে রেখেছে। (সূরা- ২, বাক্বারাহ- ২৭৫)
(৫) আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দানকে বর্ধিত করেন। (সূরা- ২, বাক্বারাহ- ২৭৬)
(৬) আর যদি তা না ছাড়ো তাহলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাথে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে নাও। (সূরা- ২, বাক্বারাহ- ২৭৯)
(৭) তোমরা এক দীনারের (স্বর্ণ মুদ্রা) বিনিময়ে দুই দীনার এবং এক দিরহামের (রৌপ্য মুদ্রা) বিনিময়ে দুই দিরহাম কেনা-বেচা করো না। (মুসলিম-৩৯১২)
(৮) সুদ প্রদানকারী, সুদ চুক্তি লেখক এবং সুদি কারবারের সাক্ষী সবাইকে অভিসম্পাত দিয়েছেন এবং তিনি বলেছেন, তারা সবাই সমান অপরাধী। (মুসলিমঃ বাবু লা‘আনি আকলির রিবা ওয়া মুকিলিহি, ২৯৯৫)
(৯) সুদের রয়েছে সত্তর প্রকার গুনাহ। তার মধ্যে সবচেয়ে নিম্নতম হল, আপন মায়ের সাথে ব্যাভিচার করা। (ইবনে মাজাহঃ বাবুত তাগলিজি ফির রিবা, ২২৬৫)
(১০) যে ব্যক্তি জেনে বুঝে এক দিরহাম সুদ গ্রহণ করল, সে ছত্রিশ বার যিনা করার চাইতেও বড় অপরাধ করল। (আহমদঃ হাদীসু আব্দুল্লাহিবনে হানযালা, ২০৯৫১)
উপসংহারঃ নিসন্দেহে মহান আল্লাহ সুদকে হারাম ঘোষণা করেছেন। সুতরাং কোন মুমিন কোন প্রকারেই সুদের সাথে জড়িতে হবেন না। আজ সমগ্র পৃথিবী সুদের কারেন্ট জালে আবদ্ধ। সরকারী ছত্রছায়ায়ই তা সকলকে গ্রাস করে ফেলেছে। এ মুহূর্তে নিজেকে রক্ষা করতে না পারলে যাহান্নাম ছাড়া অন্য কোন উপায় থাকবে না। মহান আল্লাহ মুমিনকে সুদ থেকে আত্মরক্ষা করার উপযুক্ত ঈমানী কুয়াত দান করুন। আমীন।

The holy quran

আপোনার আামার মনের কথাগুলির জবাব আল্লাহ কোরানে কিভাবে দেন, আশুন দেখি।
***-আমার এবাদত করতে ভালো লাগেনা, আল্লাহ বলেন আমি জিন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি আমার এবাদতের জন্য ( সুঃ যারিয়াত-৫৬) **- আমি বললামঃ ” আমি ব্যর্থ ” ✔ আল্লাহ বলেনঃ ” বিশ্বাসীরা সফল হয় ” [কুরআন–২৩ঃ১]
**- আমি বললামঃ ” আমার জীবনে অনেক কষ্ট ” ✔ আল্লাহ বলেনঃ “নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে আছে স্বস্তি ” [কুরআন–৯৪ঃ৬] **- আমি বললামঃ “আমাকে কেউ সাহায্য করেনা ” ✔ আল্লাহ বলেনঃ “মুমিনদের সাহায্যে করা আমার দায়িত্ব ” [কুরআন–৩০ঃ৪৭]
**-আমি বললামঃ ” আমি দেখতে খুবই কুৎসিত ” ✔ আল্লাহ বলেনঃ “আমি মানুষ কে সৃষ্টি করেছি,সুন্দরতম আকৃতিতে ” [কুরআন–৯৫ঃ৪] **-আমি বললামঃঃ “আমার সাথে কেউ নেই “✔ আল্লাহ বলেনঃ “ভয় করোনা,আমি মুমিনদের সাথে আছি ” [কুরআন–২০ঃ৪৬] **- আমি বললামঃ ” আমার পাপ অনেক বেশী “✔ আল্লাহ বলেনঃ “আমি তওবাকারীদের ভালোবাসি ” [কুরআন–২ঃ২২২] **- আমি বললামঃ “আমি সব সময় অসুস্থ থাকি “✔ আল্লাহ বলেনঃ “আমি কুরআনকে রোগের নিরাময় হিসেবে পাঠিয়েছি “[কুরআন–১৭ঃ৮২]
**- আমি বললামঃ ” এই দুনিয়া আমার ভাল লাগেনা “✔ আল্লাহ বলেনঃ “তোমার জন্যপরকাল,ইহকাল অপেক্ষা শ্রেয় ” [কুরআন–৯৩ঃ৪] **- আমি বললামঃ ” বিজয় অনেক দুরে ” ✔ আল্লাহ বলেনঃ “আমার সাহায্যে একান্তই নিকটবর্তী ” [কুরআন–২ঃ২১৪] **- আমি বললামঃ “আমার জীবনে খুশি নেই “✔ আল্লাহ বলেনঃ ” শীঘ্রই তোমার রব তোমাকে এতো দিবেন যে, তুমি খুশি হয়ে যাবে ” [কুরআন–৯৩ঃ৫] **- আমি বললামঃ ” আমি সব সময় হতাশ “✔ আল্লাহ বলেনঃ ” আর তোমরা নিরাশ হয়োনা এবং দুঃখ করোনা ” [কুরআন–৩ঃ১৩৯] **- আমি বললামঃ ” আমার কোন পরিকল্পনা সফল হচ্ছে না “✔ আল্লাহ বলেনঃ “আল্লাহ সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী “[কুরআন–৩ঃ৫৪] **- যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর নির্ভর করে, আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট সুরা তালাক ৬৫ঃ৩ **-ইয়া আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন,,আমিন,,। ভালো লাগলে শেয়ার করুন, কোরানের উপড় আমল করুন। ##বিশেষ দৃষ্টব্য এখানে প্রথম সংখা সুরা ২-য় সংখা আয়াতকে বোঝানো হয়েছে, মোঃ ইমরান খাঁন।

আল্লাহর ৯৯ নাম সমুহ।

তোমার সুন্দর সব নামের কসম…

আমি তোমার সুন্দর নামসমুহের কসম করে বলছি
“আসমাউল হূসনা”প্রতিটি যেনো তারারও অধিক
সুন্দর,আকাশ ধামে তোমার আরশের খামে খোদিত
আমি প্রশংসার সাথে তোমার নামসব স্মরণ করছি।

তুমি আল্লাহ,তুমি আর রাহমান, তুমি আর-রহিম
তুমি আল-মালিক,আল-ক্বুদ্দুস,আস-সালাম
তুমি আল-মুমিন,আল-মুহাইমিন,আল-আযিয
তুমি আল-জাব্বার,আল-খালিক,আল-বারিউ।

তুমি আল মুসাউবিরু,আল-গাফফার,আন-নুর
তুমি আল-ওয়াহ্হাব, আর-রজ্জাক,আল-ফাত্তাহ
তুমি আল-আলীম,আল-কাবিদ,আল-বাসিত
তুমি আল-খাফিদ,আর-রাফি,আল-মুয়িজ্জিব।

তুমি আল-মুঝিল্ল,আস-সামীয়,আল-বাসির
তুমি আল-হাকাম,আল-আদল,আল-লাতিফ
তুমি আল-খবির,আল-হালিম,আল-আযিম
তুমি আল-গফুর,আশ-শাকুর,আল-আলিই।

তুমি আল-কাবীর,আল-হাফিজ,আল-মুকিত
তুমি আল-হাসিব,আল-জালিল,আল-কারিম
তুমি আর-রকিব,আল-মুজীব,আল-ওয়াসি
তুমি আল-হাকিম,আল-ওয়াদুদ,আল-মাজিদ।

তুমি আল-বাঈস,তুমি আশ-শাহীদ,আল-হক
তুমি আল-ওয়াকিল,আল-ক্বাবিউ,আল মাতীন
তুমি আল-ওয়ালিই,আল-হামিদ,আল-মুহসি
তুমি আল-মুব্দিউ,আল-মুঈদু,আল-মুহিইউ।

তুমি আল-মুমিত,আল-হাইউ,আল-কাইয়ুম
আল-ওয়াজিদুআল-মাজিদ,আল-ওয়াহিদ
আস-সামাদু,আল-কাদিরু,আল-মুকতাদির
আল-মুকাদ্দিমু,আল-মুআক্ষিরু,আল-আউয়ালু

তুমি আল-আখিরু,আজ-জাহিরু,আল-বাতিনু
তুমি আল-ওয়ালি,আল-মুতাআলী,আল-বার্রু
তুমি আত-তাওয়াব,,আল-মুন্তাকিম,আল-আফুউ
তুমি আল-মুকসিত,আর-রউফু,মালিকুল মুলক।

তুমি জুল-জালালি ওয়াল ইকরাম,আল-জামিউ
তুমি আল-গানিই,আল-মুগনি,আল-মানিউ
তুমি আদ-দোররু,আন-নাফিউ,আল-কাহ্হারু
আল-হাদী,আল-বাদী,আল-বাকী, আর-রশিদ।

তুমি আল-ওয়ারিস,আস-সবুর,আল-মুতাকাব্বির
এরপরেও তুমি আছো কুরআনের বর্ণে বর্ণে কতোভাবে
তুমি রাব্বুল আলামিন,তুমি আজিজুল হাকিম
তুমি রাব্বুল আরশিল আজীম,গাফুরুর রাহীম।

তুমি সামিউন বাসির,আলা কুল্লে শাইউন কাদির
তুমি আহসানাল খালেকীন,আলিমুল হাকীম
তুমি তাওয়াবুর রাহীম,তুমি হামিদুম মাজিদ
তুমি কাবিইউন শাদিদুল একাব,বার্রুর রাহীম।

তুমি কারীবুন মিনাল মুহসেনিন,খাইরুর রাজেকিন
তুমি লাতিফুন খাবির,তুমি গানিইউন হামীদ
তুমি রাফিউদ দারাজাত,তুমি হাল্লাল মুশকিলাত
তুমি কাদিউল হাজাত,তুমি শাফিউল আমরাদ।

আমি জানি তোমার কাছে নিরাময় এবং ঔষধ আছে
তুমি গোলামদের সৃষ্টি করেছো তা তোমার প্রয়োজনে
আমি আমার হাত খুলেছি,তুমি আমার হৃদয় খুলে দাও
আমি তোমার নুরে জ্বলতে এসেছি,আমাকে ক্ষমা করো।
হে আল্লাহ,রাব্বে কারীম ! তোমার নামসমূহ যারা পড়ে তুমি কবুল করো।আমিন।মোঃ ইমরান খাঁন

আল্লাহর আজাব।

.
কবিতার ফেরিওয়ালা মুসাফির
.
গজব নাজিল হওয়ার কারণঃ
মানুষ যখন ব্যাপকভাবে আল্লাহর আদেশ নিষেধ অমান্য করতে থাকে, তখন আল্লাহ অসন্তুষ্ট হয়ে তাদেরকে শাস্তি দিতে বাধ্য হন। আল্লাহ অতিশয় দয়ালু ও মেহেরবান। তাই তিনি কোনো পাপের তাত্ক্ষণিক শাস্তি প্রয়োগ করেন না। তিনি মানুষকে বারবার সুযোগ দেন। কিন্তু মানুষ যখন পাপ করতে করতে সীমা ছাড়িয়ে যায়, তখনই গজব হিসেবে আল্লাহর শাস্তি নাজিল হয়। ফিরাউন, নমরুদ, আদ, সামুদ, বনী ইসরাইল প্রভৃতি জাতিকে আল্লাহ তাআলা তখনই শাস্তি দিয়েছেন, যখন তারা আল্লাহর অবাধ্য হয়ে সীমাহীন পাপাচারে লিপ্ত হয়েছিলো।
.
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- যখন সরকারি মালকে নিজের মাল মনে করা হয়, আমানতের মালকে নিজের মালের মতো ব্যবহার করা হয়, যাকাতকে জরিমানা মনে করা হয়, ইসলামী আকিদা বর্জিত বিদ্যা শিক্ষা করা হয়, পুরুষ স্ত্রীর অনুগত হয়, মায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়, বন্ধুদের আপন মনে করা হয়, বাবাকে পর ভাবা হয়, মসজিদে শোরগোল করা হয়, পাপী লোকেরা গোত্রের নেতা হয়, অসৎ ও নিকৃষ্ট লোক জাতির চালক হয়, ক্ষতির ভয়ে কোনো লোককে সম্মান করা হয়, গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের ব্যাপক প্রচলন হয়, মদ্য পানের আধিক্য ঘটে, পরবর্তী সময়ের লোকেরা পূর্ববর্তী লোকদের বদনাম করে, তখন যেনো তারা অপেক্ষা করে লু’ হাওয়া, ভূমিকম্প, ভূমিধস, মানব আকৃতির বিকৃতি, শিলাবৃষ্টি, রক্তবৃষ্টি ইত্যাদি কঠিন আজাবের, যা একটার পর আরেকটা আসতে থাকবে, যেমন পুতির মালার সুতা ছিঁড়ে গেলে দানাগুলো একটার পর একটা পড়তে থাকে। (তিরমিজি)।
এই হাদিসের প্রতিটি বিষয় এখন বাস্তবে রূপ নিয়েছে।
.
কোনো সম্প্রদায়ের মধ্যে যদি জেনা ব্যভিচার ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে তাদের মধ্যে এমন এমন রোগ দেখা দেবে, যা আগে কখনো ছিলো না।
.
গজবের সময় করণীয়ঃ
১) আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া।
২) অশ্লীলতা থেকে বিরত থাকা।
৩) আল্লাহর অবাধ্যতা না করা।
৪) পাপ ও অন্যায় কাজ পরিহার করা।
.
পৃথিবীর মানুষ ব্যাপক হারে আল্লাহ তাআলার অবাধ্য হলে আল্লাহ পাক পৃথিবীতে গজব নাজিল করেন, যাতে মানুষ তাদের ভুল বুঝতে পেরে তাওবার মাধ্যমে আবার ফিরে আসতে পারে।
তাওবা হলো-
“আস্তাগফিরুল্লাহা রাব্বী মিন কুল্লি যাম্বিওঁ ওআতুবু ইলাইহি, ওয়া লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আ’জিম।”
অর্থ: সকল প্রকার পাপ থেকে আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই। আমি আল্লাহর দিকেই ফিরে আসছি, আল্লাহর সাহায্য ছাড়া গোনাহ থেকে বাঁচার ও নেক কাজ করার কোনোই শক্তি নাই।
.
আসুন, করোনা নামের এই গজব থেকে বাঁচতে আমরা সবাই মহান আল্লাহর দরবারে তাওবা করে নিজেকে শুধরে নেই, আল্লাহ যেনো আমাদের কে ক্ষমা করে দেন।
.
.

জান্নাতের ঘর।

বন্ধুরা আজকে আমরা বাচ্চাদের কে ভালো কিছু শিখাইনা হাট্রিমা টিম টিম শিখাই কিন্তু এই গল্প পড়ে দেখুন মা তার সন্তানকে কি শিক্ষা দেয়

আম্মু! আজ জান্নাতে ঘর বানাবেন না?
কথাটা কানে আসতেই রুমের ফ্লোরের দিকে তাকিয়ে চোখ
জুড়িয়ে গেল। মাশাআল্লাহ! চারটা ফুটফুটে বাচ্চা। তিনটা ঘর
জুড়ে হুটোপুটি করছে। তিন নাম্বার বাচ্চার বয়স তিন কি চার
হবে। এই বাচ্চাটিই জড়ানো আদুরে কন্ঠে বলেছিল—
আম্মু! আজ জান্নাতে ঘর বানাবে না?
তার দেখাদেখি বাকি দুইজনও বলতে শুরু করল—
আম্মু! আজ জান্নাতে ঘর বানাবে না?
(এই পরিবার নতুন ভাড়াটিয়া। আমাদের পাশের ফ্লাটেই
থাকেন।)
আমি আর আমার আপু তো দারুণ অবাক! এতটুকু ছোট বাচ্চা এটা
কি বলছে? জান্নাতে ঘর কিভাবে বানাবে? আমরা কৌতুহলী
হয়ে বাচ্চাদের মায়ের কাছে প্রশ্ন করে বসলাম।
প্রশ্ন শুনে অপরিচিত ভাবীর মুখে স্মিত হাসি ফুটে উঠে।
শরবতের গ্লাসটা এগিয়ে দিয়ে বললেন,
-একটু অপেক্ষা করুন। নিজের চোখেই দেখে যাবেন জান্নাত
বানানোর পদ্ধতিটা।
বাচ্চাদের মা হাতের কাজ গুছিয়ে এলেন। আমাদেরকে হালকা
নাস্তা দিলেন। তারপর কোলেরটাকে নিয়ে মেঝেতে বসে
গেলেন। সবার চোখেমুখে থেকে উৎসাহ উদ্দীপনা যেন ঠিকরে
বের হচ্ছে।
এক…. দুই…. তিন……!!
শুরু জান্নাতমহল নির্মাআআআআণ!!!!!
মায়ের ঘোষণা শেষ হতেই তিন কচিকাঁচা একসাথে সূরা ইখলাস
পড়তে লাগল। একে একে দশবার পড়া হল। পড়া শেষ করেই সবাই
সমস্বরে হৈচৈ করে উঠল—
–আলহামদুলিল্লাহ! আমরা জান্নাতে একটা ঘর বানিয়েছি।
– খুব ভাল করেছ! এবার বলতো সোনামণিরা, তোমরা এই ঘরে কী
রাখতে চাও?
– ধনভাণ্ডার রাখতে চাই আম্মু!
–ঠিক আছে রাখো!
লা হাওলা ওয়া লা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ! লা হাওলা…….
বাচ্চারা সমস্বরে ইস্তেগফার পড়া শেষ করল। মায়ের মুখে ফুটে
উঠলো তৃপ্তির হাসি! আশ্চর্য কন্ঠে তিনি বলতে লাগলেন —
– ওমা! তোমরা অনেক ধনভাণ্ডার জমিয়েছো। আচ্ছা, এবার বল
তো তোমরা কাকে বেশি ভালবাসো?
_ আল্লাহকে!
– তারপর?
– নবীজী (সা) কে।
– কেয়ামতের দিন সবার কেমন লাগবে?
– ভীষণ পিপাসা লাগবে আম্মু!
– তখন কোনটা বেশি প্রয়োজন হবে?
– নবীজীর (সা) সুপারিশ!
–তোমরা সুপারিশ পেতে চাও?
– জ্বি আম্মু!
– তাহলে এখন কি করতে হবে?
আল্লাহুমা সাল্লি আলা মুহাম্মদ ওয়া আলা আলি মুহাম্মদ…………
ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।
বাচ্চাগুলো সুর করে দুরুদ শরীফ পড়া শেষ করলো। হাসিমুখে মা
এবার নতুন প্রশ্ন করেন—
– আচ্ছা, জান্নাতে বাগান করার শখ কার কার?
– আমাল! আমার!! আমার!!!
সবাইকে সামলে নিয়ে বললেন—
– ঠিক আছে। সবাই বাগান করবে। তোমাদের এখন কি করতে
হবে?
সুবহানাল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহু আকবার!
অনেকক্ষণ যাবৎ বাচ্চারা একে একে যিকির করে যায়।
এক সময় যিকির যিকির খেলা শেষ হলো। সবাই খুশিমনে আগের
হুটোপুটিতে ফিরে গেল। মহিলাও খুশিমাখা চেহারায় ঘরের
মেঝে থেকে উঠে এসে আমাদের সামনে বসলেন।
– আসলে এটা আমার বাচ্চাদের ঘরোয়া খেলা!
তখন আমাদের চোখেমুখে রাজ্যের বিস্ময়!
হায় আল্লাহ! এত সুন্দর খেলা দেখা দূরে থাক, এমন পবিত্র ও
শিক্ষণীয় খেলার কথা তো আমার কল্পনাতেও আসেনি কখনো।
আমি লম্বা দীর্ঘ শ্বাস ফেলে চরম আশ্চর্যে ভাবীর দিকে
তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলাম–
– ভাবী কিভাবে তাদেরকে এরকম করে গড়ে তুললেন?
– আসলে ভাই, সবই সু অভ্যাসের ফল। ছোটরা গল্প শুনতে
ভালবাসে, খেলাধুলা করতে পছন্দ করে। ছোটবেলা থেকেই
ওদেরকে খেলাচ্ছলে, গল্পচ্ছলে এসব শিক্ষা দিয়েছি। সহজ
হাদীস শুনিয়েছি। যিকির শিখিয়েছি। মাসনুন দোয়া
শিখিয়েছি। সাথে সাথে কোন আমলের কী লাভ, সেটাও
জানিয়েছি। এভাবেই শুনতে শুনতে, খেলতে খেলতে একসময় ওরা
নিজেদের দৈনন্দিন জীবনের সাথেই মিলিয়ে ফেলেছে
ব্যাপারগুলো।
আমার চোখদিয়ে দু’ফোটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ল……..

বন্ধুরা গল্পটা পড়ে ভালো লাগলে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন ধন্যবাদ /মো ইমরান খাঁন

নামযের পড় মোনাজাত।

নামাযের পরে যদি দুআ করা হয় তবে ক্ষতি কি?

👉 মানুষের প্রকৃতি হল চাওয়া। তাইতো সে জন্মের পরেই মহা আর্তনাদের মাধ্যমে আপন ক্ষুধা নিবারণে খাদ্যের আহাজারী করেছিল। এরপর সে তার প্রয়োজন মিটাতে জীবনভর কারো না কারো কাছে চাইতেই থাকবে। কখনো মায়ের কাছে, কখনো বাপের কাছে, আবার কখনো লিডারের কাছে। তার চাওয়ার কোন বিরাম নেই। মহান আল্লাহর ইচ্ছা যে, সে তার সকল বিষয়ে কেবল তাঁকে উদ্ধেশ্য করেই চাইবে। কখনো খাবার, কখনো সুস্থাতা, কখনো আড়ম্ভরতা, আবার কখনো জান্নাত ইত্যাদী।
👉 মানুষের চাওয়ার মাধ্যম হচ্ছে- মুখ, হাত, চোখ ও মাথার ভাষা ও আবেগ। মহান আল্লাহর কাছে বান্দাহর চাওয়া বা আকুতির আরবী শব্দরূপ হচ্ছে- দুআ বলে। সুতরাং মানুষের কাছ থেকে আমাদের প্রাপ্তির পরিভাষা হচ্ছে চাওয়া আর আল্লাহর কাছে থেকে পাওয়ার পরিভাষা হচ্ছে দুআ।
প্রিয় ভাই!
👉 আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে “ফরজ নামাজের পর যদি দুআ করা হয় তবে ক্ষতি কি? বিষয় নিয়ে। আসুন, সে বিষয়ে আমরা সামনের দিকে গভীর ভাবে নজর করি।
👉 দুআর পরিচিতিঃ
বান্দাহ্-র প্রতিটি প্রয়োজন পূরণ, আপতিত বিপদ-মুছিবাত থেকে পরিত্রাণ এবং মনের সকল চাহিদার পূর্ণতার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিনয়ের সাথে প্রার্থনা করাকে দুআ বলে।
👉 দুআর প্রকারভেদঃ
দুআ দুই প্রকারের হয়ে থাকে। যথা (১) দুআ ইবাদাতঃ দুখ-দুরদশা লাঘব এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে একনিষ্ঠ ভাবে তাঁর ইবাদাত পালন করার মাধ্যমে আল্লাহকে আহব্বান করাকে দুআ ইবাদাত বলে। যেমন নামায, রোজা, হজ্ব, ঝাকাত। (২) দুআ মাসালাহ্ঃ কল্যাণ হাছিল ও দুঃখ- দুর্দশা দূর করতে সহায়ক হয় মহান আল্লাহকে বান্দহ্র এমন আহŸানের নাম দুআ মাসআলাহ্। যেমন- অসুখ হলে শেফা কামনা, ক্ষুদা ও তৃষ্ণা মিটাতে প্রার্থনা, আজান শেষে প্রার্থনা ইত্যাদী।
👉 দুআর হুকুমঃ
দুআ ইবাদাত ফরজ। মহান আল্লাহ নিজেই এর সময়, নিয়ম-কানুন এবং সার্বিক পন্থা বলেদেন। এর বাইরে বন্দাহ্র কিছু বলা-কওয়ার নেই। দুআ মানআলাহ্ নফল ও সুন্নাত পর্যায়ের হয়ে থাকে। এর কোন বাধা ধরা সময় ও নিয়ম নেই। বরং সব সময় বান্দাহ তার মুনিবের দারস্থ হবে বলে এতে পাক-সাপ হয়ে নেওয়ারও কোন শর্ত করা হয়নি। মহান আল্লাহ কখনো এর পন্থা সরাসরি বলেছেন, কখনো ইনডাইরেক্টলি, আবার কোন কোন বিষয়ে কিছু বলে দেননি। বরং বান্দাহ নিজে নিজের মত করে যখন তাঁকে ডাকতে চায় তখনই অনায়েশে তাঁকে ডাকার সুযোগ দিয়ে রেখেছেন।
👉 এবার আসুন শিরনামের বিষয়ে “নামাযের পরে যদি দুআ করা হয় তবে ক্ষতি কি?” নিয়ে আলোচনা করা যাক। ফরজ নামায বা অন্য সকল নামাযের শেষে দুআ করা এটি দুআ মাসআলাহ্ এর অন্তর্গত ইবাদাত। বান্দাহ্ এটি নামায শেষে বা যেকোন সময় করার অধিকার রাখে। এমনকি পায়খানায় প্রবেশ করার সময়, কিংবা পায়খানা থেকে বের হয়ে, এমনকি তার যখন প্রয়োজন ও ইচ্ছা হয় তখনই তা করতে পারবে। কোন একটা বিষয়ে চুড়ান্ত ফায়সালা থাকলে সে বিষয়ে বার বার বলা যেমন নিস্প্রয়োজন, আবার তা জানতে চাওয়াও বাড়াবাড়ির শামীল। এটা স্বীকৃত বিষয় হওয়ায় এর উপর দলীল চাওয়া কোন জ্ঞানী বা বুদ্ধিমান ব্যক্তির কাজ নয়। যেমন- আল্লাহর নবী (সা)-এর কাছে কত মানুষ কত কিছু জানতে চায়, প্রশ্ন করে। এক ব্যক্তি কোন প্রশ্ন খুঁজে পায় না। এরই মধ্যে সে প্রশ্ন করে বসল, হুজুর! বলুন তো, আমার আব্বাকে? বলেন, এটাকি কোন প্রশ্ন হল? কাজেই নামায শেষে দুআ করার বিষয়ে প্রশ্নকারীরা এরূপ নয় কি? সকলে নিশ্চিত জেনে রাখুন, দুআ মাসআলাহ্ যত বেশি করবেন মহান আল্লাহ আপনার উপর তত বেশি খুশি হবেন। কাজেই এতে কারো মাসআলাহ বলার সুযোগ নাই।
এবারে আমরা বিষয়টি নিয়ে কুরআনের প্রতি দৃষ্টি প্রদান করি। মহান আল্লাহর ঘোষণাঃ
وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ ۚ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ [٦٠]
অর্থঃ- তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি তাতে সাড়া দেব। যারা আমার ইবাদাতে অহংকার করে তারা সত্বরই যাহান্নামে দাখিল হবে লাঞ্ছিত হয়ে। (সূরাহ্-৪০, গাফির-৬০)
هُوَ الْحَيُّ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ فَادْعُوهُ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ ۗ الْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ [٦٥]
অর্থঃ- তিনি চিরঞ্জীব, তিনি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। অতএব, তাঁকে ডাক তাঁর খাঁটি ইবাদাতের মাধ্যমে। সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের পালনকর্তা আল্লাহরই। (সূরাহ্-৪০, গাফির-৬৫)
وَلِلّٰهِ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ فَادْعُوهُ بِهَا ۖ وَذَرُوا الَّذِينَ يُلْحِدُونَ فِي أَسْمَائِهِ ۚ سَيُجْزَوْنَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ [١٨٠]
অর্থঃ- আর আল্লাহর জন্য রয়েছে সব উত্তম নাম। কাজেই সে নাম ধরে তাঁকে ডাক। আর তাদেরকে বর্জন কর, যারা তাঁর নামের ব্যাপারে বাঁকা পথে চলে। তারা নিজেদের কৃতকর্মের ফল শীঘ্রই পাবে। (সূরাহ্-৭, গাফির-১৮০)
এবারে আমরা বিশ্বনাবী (সা)-র হাদীসের প্রতি নজর করি। আর তা হলঃ
عَنْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِىِّ ﷺ قَالَ “لَيْسَ شَئٌ أَكْرَمَ عَلَى اللهِ مِنَ الدُّعَاءِ -“
অর্থঃ- হযরত আবূ হুরায়রাহ্ (রা) বলেন, নাবী কারীম (সা) বলেছেনঃ আল্লাহর নিকট দুআর চেয়ে সম্মানিত বস্তু আর কিছুই হয় না। (আদাবু-ল মুফরাদ-৭১৭। এটি ইমাম বুখারীর অন্য একটি গ্রন্থ)
عَنْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِىِّ ﷺ قَالَ “اَشْرَفُ الْعِبَادَةِ الدُّعَاءُ -“
অর্থঃ- উক্ত রাবী হযরত আবূ হুরায়রাহ্ (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, নাবী কারীম (সা) বলেছেনঃ দুআ হচ্ছে সবচেয়ে সম্মানিত ‘ইবাদাত। (আদাবু-ল মুফরাদ-৭১৮)
عَنِ النُّعْمَانَ بْنِ بَشِيْرٍ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ ، عَنِ النَّبِىِّ ﷺ قَالَ : اِنَّ الدُّعَاءَ هُوَ الْعِبَادَةُ “ثُمَّ قَرَاَ (اُدْعُوْنِىْ اَسْتَجِبْ لَكُمْ)
অর্থঃ- হযরত নুমান ইবনি বাশীর (রা) হতে বর্ণিত আছে যে, নাবী কারীম (সা) বলেছেনঃ নিঃসন্দেহে দুআই হচ্ছে ইবাদাত। অতঃপর তিনি কুরআন শারীফের আয়াতে কারীমাহ্ আবৃত্তি করলেনঃ اُدْعُوْنِىْ اَسْتَجِبْ لَكُمْ “আমার কাছে দুআ কর। আমি তোমাদের দুআ কবূল করব।” (সূরাহ্-৪, নিসা-৬০) (আবূ-দাঊদ, তিরমিজি, আদাবু-ল মুফরাদ-৭১৯, রিয়াদু-স সালিহীন-১৪৬৫)
عَنْ عَطَاءٍ ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ سُئِلَ النَّبِىُّ ﷺ اَىُّ الْعِبَادَةِ اَفْضَلُ ؟ قَالَ دُعَاءُ الْمَرْءِ لِنَفْسِه –
অর্থঃ- হযরত আয়িশাহ্ (রা) বলেন, নাবী কারীম (সা)-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হল, সর্বোত্তম ইবাদাত কি? তিনি বললেনঃ মানুষের নিজের জন্য কৃত দুআ। (আদাবু-ল মুফরাদ-৭২০)
মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এটিও দুআ মাসআলাহ্র অন্তর্ভুক্ত। আর এর ফাদ্বীলাত সম্পর্কে ইমাম বুখারী (রহ) স্বীয় গ্রন্থ ‘বুখারী শারীফ’-এ নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদটি এভাবে দাঁড় করিয়েছেনঃ
۲٦١٥ بَابُ اَفْضَلُ الْاِسْتِغْفَارِ قَوْلِهِ تَعَاليٰ فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا [١٠] يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُمْ مِدْرَارًا [١١] وَيُمْدِدْكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَلْ لَكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَلْ لَكُمْ أَنْهَارًا [١٢] وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللّٰهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَنْ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا اللّٰهُ وَلَمْ يُصِرُّوا عَلَىٰ مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُونَ [١٣٥]
অর্থঃ- ২৬১৫ পরিচ্ছেদঃ দুআ হচ্ছে শ্রেষ্ঠতম ইস্তিগফার। আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দিবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্য উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্য নদী-নালা প্রবাহিত করবেন। (সূরা-৭১, নূ‘হ-১০-১২) তারা কখনও কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা কোন মন্দ কাজে জড়িত হয়ে নিজের উপর জুল্ম করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন? তারা নিজের কৃতকর্মের জন্য হঠকারিতা প্রদর্শন করে না এবং জেনে-শুনে তাই করতে থাকে না। (সূরাহ-৩, আলি-ইমরান-১৩৫) অতঃপর তিনি এর অনুকুলে যে হাদীছটি উপস্থাপন করেছেন তা উপরোক্ত বক্তব্যকে আরো বেশি সুদৃঢ় করে থাকে। যেমন বিশ্বনাবী (সা)-এর বাণীঃ
عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ يَقُوْلُ وَاللهِ اِنِّىْ لَأَسْتَغْفِرُ اللهَ أَتُوْبُ فِىْ الْيَوْمِ أَكْثَرَ مِنْ سَبْعِيْنَ مَرَّةً –
অর্থঃ হযরত আবূ হুরায়রাহ্ (রা) বর্ণনা করেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা) কে বলতে শুনেছি ঃ আল্লাহর কসম! আমি প্রত্যহ আল্লাহর কাছে সত্তর বারেরও বেশি ইস্তিগফার ও তাওবাহ্ করে থাকি। (বুখারী-৫৮৬৮)
عَنْ نَافِعٍ عَنْ اِبنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : اِنِّىْ لَاَدْعُوْ فِىْ كُلِّ شَىْءٍ مِنْ اَمْرِىْ حَتَّى اَنْ يَّفْسَحَ اللهُ فِىْ مَشْىِ دَابَّتِىْ حَتَّى ارٰى مِنْ ذٰلِكَ مَا يَسُرُّنِىْ –
অর্থঃ- হযরত নাফি (রহ) বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনি উমার (রা) বলেছেনঃ আমি তো আমার প্রত্যেক ব্যাপারেই দুআ করে থাকি, এমন কি আমার বাহন জন্তুকে দ্রুত গতিসম্পন্ন করে দেওয়ার জন্য আমি দুআ করে থাকি। এর যে ফল আমি প্রত্যক্ষ করি তাতে আমার আনন্দই হয়। (আদাবু-ল মুফরাদ-৬৩২)
عَنْ مُغِيْرَةَ اِلَى مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِىْ سُفْيَانَ أَنً رَسُوْلَ اللهِ ﷺ كَانَ يَقُوْلُ فِىْ دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ اِذَا سَلَّمَ لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ اللِّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلَا مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجِدِّ مِنْكَ الْجِدُّ وَقَالَ شُعْبَةُ عَنْ مَنْصُوْرٍ قَالَ سَمِعْتُ الْمُسَيَّبَ –
অর্থঃ- হযরত মুগীরাহ্ ইবনি শুবাহ্ (রা) আবূ সুফিইয়ানের পুত্র মুআবিয়াহ্ (রা)-এর নিকট এক পত্রে লিখেন যে, নিশ্চয়ই নাবী কারীম (সা) প্রত্যেক সালাতে সালাম ফিরানোর পর প্রার্থনা করতেনঃ
لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ اللِّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلَا مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجِدِّ مِنْكَ الْجِدُّ-
“আল্লাহ ছাড়া কোন মাবূদ নেই। তিনি একাই মাবূদ। তাঁর কোন শারীক নেই। সাম্রাজ্য তাঁরই, যাবতীয় প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। ইয়া আল্লাহ! আপনি কাউকে যা দান করেন তাতে বাধা দেওয়ার কেউ নেই। আর আপনি যাকে কোন কিছু দিতে বিরত থাকেন তাকেও তা দেওয়ার মতো কেউ নেই। আপনার রহমাত না হলে কারো চেষ্টাই ফলপ্রসূ হবে না।” (বুখারী-৫৮৯১)
عَنْ مُحَمَّدِ بن أَبِى يَحْيَى ، قَالَ : رَأْيَتُ عَبْدَ اللهِ بن الزُّبَيْرِ ، وَرَأَى رَجُلًا رَافِعَا يَدَيْهِ يَدْعُو قَبْلَ أَنْ يَفْرَغَ مِنْ صَلاِتِهِ ، فَلَمَّا فَرَغَ مِنْهَا ، قَالَ : “اِنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ لَمْ يَكُنْ يَرْفَعُ يَدَيْهِ ، حَتَّى يَفْرَغَ مِنْ صَلَاتِهِ –
অর্থঃ- হযরত মুহাম্মাদ বিন আবী ইয়াহইয়া বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনি ঝুবাইর (রা)-কে দেখলাম, তিনি এক ব্যক্তিকে সালাত শেষ করার পূর্বেই দুহাত উঠিয়ে দুআ করতে দেখে বললেন, রাসূলুল্লাহ (স) কখনো সালাত থেকে ফারিগ না হয়ে দু’হাত উঠাতেন না। অর্থাৎ সালাত শেষ করে তবেই দু’হাত তুলে দুআ করতেন।
(মাযমাউ-ঝ ঝাওয়ায়িদ, দারু-ল ফিকর, বৈরুত, লেবানন, খণ্ড-১০, পৃ-২৬৬, হাদীছ নং ১৭৩৪৫; মুযামু-ল কাবীর লি-ত তাবারানী, পৃ-২২, খ-১১)
عَنْ اَبِى اُمَامَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : قِيْلَ لِرَسُوْلِ اللهِ ﷺ اَىُّ الدُّعَاءِ اَسْمَعُ ؟ قَالَ : جَوْفُ اللَّيْلِ الْاٰخِرِ وَدُبُرِ الصَّلَوَاتِ الْمَكْتُوْبَاتِ – رواه الترمذى وقال حديث حسن –
অর্থঃ- হযরত আবূ উমামাহ্ (রা) বর্ণনা করেন, রাসূলে আকরাম (সা)-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হলোঃ কোন্ সময়টায় দুআ বেশি কবূল হয়? তিনি বলেন, শেষ রাতের মাঝামাঝি এবং ফারজ সালাতের অব্যবহিত পর। (তিরমিজী, রিয়াদু-স সালিহীন-১৫০০)
👉 সারকথাঃ
ফরজ সালাতের অব্যবহিত পরে হাত তুলে দুআ করায় ক্ষতি নাই। বরং যারা করে তারা নিশ্চয়ই লাভবান হবে। আর যারা ভুল বুঝে মানুষকে বিরত রাখতে স্বচেষ্ট হয়, তাদেরকে তা না করতে বিরত হতে হবে। ধন্যবাদ সকলকে।

ফরয নামাজের।

নামাযের পরে যদি দুআ করা হয় তবে ক্ষতি কি 👉 মানুষের প্রকৃতি হল চাওয়া। তাইতো সে জন্মের পরেই মহা আর্তনাদের মাধ্যমে আপন ক্ষুধা নিবারণে খাদ্যের আহাজারী করেছিল। এরপর সে তার প্রয়োজন মিটাতে জীবনভর কারো না কারো কাছে চাইতেই থাকবে। কখনো মায়ের কাছে, কখনো বাপের কাছে, আবার কখনো লিডারের কাছে। তার চাওয়ার কোন বিরাম নেই। মহান আল্লাহর ইচ্ছা যে, সে তার সকল বিষয়ে কেবল তাঁকে উদ্ধেশ্য করেই চাইবে। কখনো খাবার, কখনো সুস্থাতা, কখনো আড়ম্ভরতা, আবার কখনো জান্নাত ইত্যাদী।
👉 মানুষের চাওয়ার মাধ্যম হচ্ছে- মুখ, হাত, চোখ ও মাথার ভাষা ও আবেগ। মহান আল্লাহর কাছে বান্দাহর চাওয়া বা আকুতির আরবী শব্দরূপ হচ্ছে- দুআ বলে। সুতরাং মানুষের কাছ থেকে আমাদের প্রাপ্তির পরিভাষা হচ্ছে চাওয়া আর আল্লাহর কাছে থেকে পাওয়ার পরিভাষা হচ্ছে দুআ।
প্রিয় ভাই!
👉 আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে “ফরজ নামাজের পর যদি দুআ করা হয় তবে ক্ষতি কি? বিষয় নিয়ে। আসুন, সে বিষয়ে আমরা সামনের দিকে গভীর ভাবে নজর করি।
👉 দুআর পরিচিতিঃ
বান্দাহ্-র প্রতিটি প্রয়োজন পূরণ, আপতিত বিপদ-মুছিবাত থেকে পরিত্রাণ এবং মনের সকল চাহিদার পূর্ণতার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিনয়ের সাথে প্রার্থনা করাকে দুআ বলে।
👉 দুআর প্রকারভেদঃ
দুআ দুই প্রকারের হয়ে থাকে। যথা (১) দুআ ইবাদাতঃ দুখ-দুরদশা লাঘব এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে একনিষ্ঠ ভাবে তাঁর ইবাদাত পালন করার মাধ্যমে আল্লাহকে আহব্বান করাকে দুআ ইবাদাত বলে। যেমন নামায, রোজা, হজ্ব, ঝাকাত। (২) দুআ মাসালাহ্ঃ কল্যাণ হাছিল ও দুঃখ- দুর্দশা দূর করতে সহায়ক হয় মহান আল্লাহকে বান্দহ্র এমন আহŸানের নাম দুআ মাসআলাহ্। যেমন- অসুখ হলে শেফা কামনা, ক্ষুদা ও তৃষ্ণা মিটাতে প্রার্থনা, আজান শেষে প্রার্থনা ইত্যাদী।
👉 দুআর হুকুমঃ
দুআ ইবাদাত ফরজ। মহান আল্লাহ নিজেই এর সময়, নিয়ম-কানুন এবং সার্বিক পন্থা বলেদেন। এর বাইরে বন্দাহ্র কিছু বলা-কওয়ার নেই। দুআ মানআলাহ্ নফল ও সুন্নাত পর্যায়ের হয়ে থাকে। এর কোন বাধা ধরা সময় ও নিয়ম নেই। বরং সব সময় বান্দাহ তার মুনিবের দারস্থ হবে বলে এতে পাক-সাপ হয়ে নেওয়ারও কোন শর্ত করা হয়নি। মহান আল্লাহ কখনো এর পন্থা সরাসরি বলেছেন, কখনো ইনডাইরেক্টলি, আবার কোন কোন বিষয়ে কিছু বলে দেননি। বরং বান্দাহ নিজে নিজের মত করে যখন তাঁকে ডাকতে চায় তখনই অনায়েশে তাঁকে ডাকার সুযোগ দিয়ে রেখেছেন।
👉 এবার আসুন শিরনামের বিষয়ে “নামাযের পরে যদি দুআ করা হয় তবে ক্ষতি কি?” নিয়ে আলোচনা করা যাক। ফরজ নামায বা অন্য সকল নামাযের শেষে দুআ করা এটি দুআ মাসআলাহ্ এর অন্তর্গত ইবাদাত। বান্দাহ্ এটি নামায শেষে বা যেকোন সময় করার অধিকার রাখে। এমনকি পায়খানায় প্রবেশ করার সময়, কিংবা পায়খানা থেকে বের হয়ে, এমনকি তার যখন প্রয়োজন ও ইচ্ছা হয় তখনই তা করতে পারবে। কোন একটা বিষয়ে চুড়ান্ত ফায়সালা থাকলে সে বিষয়ে বার বার বলা যেমন নিস্প্রয়োজন, আবার তা জানতে চাওয়াও বাড়াবাড়ির শামীল। এটা স্বীকৃত বিষয় হওয়ায় এর উপর দলীল চাওয়া কোন জ্ঞানী বা বুদ্ধিমান ব্যক্তির কাজ নয়। যেমন- আল্লাহর নবী (সা)-এর কাছে কত মানুষ কত কিছু জানতে চায়, প্রশ্ন করে। এক ব্যক্তি কোন প্রশ্ন খুঁজে পায় না। এরই মধ্যে সে প্রশ্ন করে বসল, হুজুর! বলুন তো, আমার আব্বাকে? বলেন, এটাকি কোন প্রশ্ন হল? কাজেই নামায শেষে দুআ করার বিষয়ে প্রশ্নকারীরা এরূপ নয় কি? সকলে নিশ্চিত জেনে রাখুন, দুআ মাসআলাহ্ যত বেশি করবেন মহান আল্লাহ আপনার উপর তত বেশি খুশি হবেন। কাজেই এতে কারো মাসআলাহ বলার সুযোগ নাই।
এবারে আমরা বিষয়টি নিয়ে কুরআনের প্রতি দৃষ্টি প্রদান করি। মহান আল্লাহর ঘোষণাঃ
وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ ۚ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ [٦٠]
অর্থঃ- তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি তাতে সাড়া দেব। যারা আমার ইবাদাতে অহংকার করে তারা সত্বরই যাহান্নামে দাখিল হবে লাঞ্ছিত হয়ে। (সূরাহ্-৪০, গাফির-৬০)
هُوَ الْحَيُّ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ فَادْعُوهُ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ ۗ الْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ [٦٥]
অর্থঃ- তিনি চিরঞ্জীব, তিনি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। অতএব, তাঁকে ডাক তাঁর খাঁটি ইবাদাতের মাধ্যমে। সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের পালনকর্তা আল্লাহরই। (সূরাহ্-৪০, গাফির-৬৫)
وَلِلّٰهِ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ فَادْعُوهُ بِهَا ۖ وَذَرُوا الَّذِينَ يُلْحِدُونَ فِي أَسْمَائِهِ ۚ سَيُجْزَوْنَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ [١٨٠]
অর্থঃ- আর আল্লাহর জন্য রয়েছে সব উত্তম নাম। কাজেই সে নাম ধরে তাঁকে ডাক। আর তাদেরকে বর্জন কর, যারা তাঁর নামের ব্যাপারে বাঁকা পথে চলে। তারা নিজেদের কৃতকর্মের ফল শীঘ্রই পাবে। (সূরাহ্-৭, গাফির-১৮০)
এবারে আমরা বিশ্বনাবী (সা)-র হাদীসের প্রতি নজর করি। আর তা হলঃ
عَنْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِىِّ ﷺ قَالَ “لَيْسَ شَئٌ أَكْرَمَ عَلَى اللهِ مِنَ الدُّعَاءِ -“
অর্থঃ- হযরত আবূ হুরায়রাহ্ (রা) বলেন, নাবী কারীম (সা) বলেছেনঃ আল্লাহর নিকট দুআর চেয়ে সম্মানিত বস্তু আর কিছুই হয় না। (আদাবু-ল মুফরাদ-৭১৭। এটি ইমাম বুখারীর অন্য একটি গ্রন্থ)
عَنْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِىِّ ﷺ قَالَ “اَشْرَفُ الْعِبَادَةِ الدُّعَاءُ -“
অর্থঃ- উক্ত রাবী হযরত আবূ হুরায়রাহ্ (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, নাবী কারীম (সা) বলেছেনঃ দুআ হচ্ছে সবচেয়ে সম্মানিত ‘ইবাদাত। (আদাবু-ল মুফরাদ-৭১৮)
عَنِ النُّعْمَانَ بْنِ بَشِيْرٍ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ ، عَنِ النَّبِىِّ ﷺ قَالَ : اِنَّ الدُّعَاءَ هُوَ الْعِبَادَةُ “ثُمَّ قَرَاَ (اُدْعُوْنِىْ اَسْتَجِبْ لَكُمْ)
অর্থঃ- হযরত নুমান ইবনি বাশীর (রা) হতে বর্ণিত আছে যে, নাবী কারীম (সা) বলেছেনঃ নিঃসন্দেহে দুআই হচ্ছে ইবাদাত। অতঃপর তিনি কুরআন শারীফের আয়াতে কারীমাহ্ আবৃত্তি করলেনঃ اُدْعُوْنِىْ اَسْتَجِبْ لَكُمْ “আমার কাছে দুআ কর। আমি তোমাদের দুআ কবূল করব।” (সূরাহ্-৪, নিসা-৬০) (আবূ-দাঊদ, তিরমিজি, আদাবু-ল মুফরাদ-৭১৯, রিয়াদু-স সালিহীন-১৪৬৫)
عَنْ عَطَاءٍ ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ سُئِلَ النَّبِىُّ ﷺ اَىُّ الْعِبَادَةِ اَفْضَلُ ؟ قَالَ دُعَاءُ الْمَرْءِ لِنَفْسِه –
অর্থঃ- হযরত আয়িশাহ্ (রা) বলেন, নাবী কারীম (সা)-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হল, সর্বোত্তম ইবাদাত কি? তিনি বললেনঃ মানুষের নিজের জন্য কৃত দুআ। (আদাবু-ল মুফরাদ-৭২০)
মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এটিও দুআ মাসআলাহ্র অন্তর্ভুক্ত। আর এর ফাদ্বীলাত সম্পর্কে ইমাম বুখারী (রহ) স্বীয় গ্রন্থ ‘বুখারী শারীফ’-এ নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদটি এভাবে দাঁড় করিয়েছেনঃ
۲٦١٥ بَابُ اَفْضَلُ الْاِسْتِغْفَارِ قَوْلِهِ تَعَاليٰ فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا [١٠] يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُمْ مِدْرَارًا [١١] وَيُمْدِدْكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَلْ لَكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَلْ لَكُمْ أَنْهَارًا [١٢] وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللّٰهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَنْ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا اللّٰهُ وَلَمْ يُصِرُّوا عَلَىٰ مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُونَ [١٣٥]
অর্থঃ- ২৬১৫ পরিচ্ছেদঃ দুআ হচ্ছে শ্রেষ্ঠতম ইস্তিগফার। আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দিবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্য উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্য নদী-নালা প্রবাহিত করবেন। (সূরা-৭১, নূ‘হ-১০-১২) তারা কখনও কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা কোন মন্দ কাজে জড়িত হয়ে নিজের উপর জুল্ম করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন? তারা নিজের কৃতকর্মের জন্য হঠকারিতা প্রদর্শন করে না এবং জেনে-শুনে তাই করতে থাকে না। (সূরাহ-৩, আলি-ইমরান-১৩৫) অতঃপর তিনি এর অনুকুলে যে হাদীছটি উপস্থাপন করেছেন তা উপরোক্ত বক্তব্যকে আরো বেশি সুদৃঢ় করে থাকে। যেমন বিশ্বনাবী (সা)-এর বাণীঃ
عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ يَقُوْلُ وَاللهِ اِنِّىْ لَأَسْتَغْفِرُ اللهَ أَتُوْبُ فِىْ الْيَوْمِ أَكْثَرَ مِنْ سَبْعِيْنَ مَرَّةً –
অর্থঃ হযরত আবূ হুরায়রাহ্ (রা) বর্ণনা করেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা) কে বলতে শুনেছি ঃ আল্লাহর কসম! আমি প্রত্যহ আল্লাহর কাছে সত্তর বারেরও বেশি ইস্তিগফার ও তাওবাহ্ করে থাকি। (বুখারী-৫৮৬৮)
عَنْ نَافِعٍ عَنْ اِبنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : اِنِّىْ لَاَدْعُوْ فِىْ كُلِّ شَىْءٍ مِنْ اَمْرِىْ حَتَّى اَنْ يَّفْسَحَ اللهُ فِىْ مَشْىِ دَابَّتِىْ حَتَّى ارٰى مِنْ ذٰلِكَ مَا يَسُرُّنِىْ –
অর্থঃ- হযরত নাফি (রহ) বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনি উমার (রা) বলেছেনঃ আমি তো আমার প্রত্যেক ব্যাপারেই দুআ করে থাকি, এমন কি আমার বাহন জন্তুকে দ্রুত গতিসম্পন্ন করে দেওয়ার জন্য আমি দুআ করে থাকি। এর যে ফল আমি প্রত্যক্ষ করি তাতে আমার আনন্দই হয়। (আদাবু-ল মুফরাদ-৬৩২)
عَنْ مُغِيْرَةَ اِلَى مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِىْ سُفْيَانَ أَنً رَسُوْلَ اللهِ ﷺ كَانَ يَقُوْلُ فِىْ دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ اِذَا سَلَّمَ لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ اللِّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلَا مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجِدِّ مِنْكَ الْجِدُّ وَقَالَ شُعْبَةُ عَنْ مَنْصُوْرٍ قَالَ سَمِعْتُ الْمُسَيَّبَ –
অর্থঃ- হযরত মুগীরাহ্ ইবনি শুবাহ্ (রা) আবূ সুফিইয়ানের পুত্র মুআবিয়াহ্ (রা)-এর নিকট এক পত্রে লিখেন যে, নিশ্চয়ই নাবী কারীম (সা) প্রত্যেক সালাতে সালাম ফিরানোর পর প্রার্থনা করতেনঃ
لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ اللِّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلَا مُعْطِىَ لِمَا مَنَعْتَ وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجِدِّ مِنْكَ الْجِدُّ-
“আল্লাহ ছাড়া কোন মাবূদ নেই। তিনি একাই মাবূদ। তাঁর কোন শারীক নেই। সাম্রাজ্য তাঁরই, যাবতীয় প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান। ইয়া আল্লাহ! আপনি কাউকে যা দান করেন তাতে বাধা দেওয়ার কেউ নেই। আর আপনি যাকে কোন কিছু দিতে বিরত থাকেন তাকেও তা দেওয়ার মতো কেউ নেই। আপনার রহমাত না হলে কারো চেষ্টাই ফলপ্রসূ হবে না।” (বুখারী-৫৮৯১)
عَنْ مُحَمَّدِ بن أَبِى يَحْيَى ، قَالَ : رَأْيَتُ عَبْدَ اللهِ بن الزُّبَيْرِ ، وَرَأَى رَجُلًا رَافِعَا يَدَيْهِ يَدْعُو قَبْلَ أَنْ يَفْرَغَ مِنْ صَلاِتِهِ ، فَلَمَّا فَرَغَ مِنْهَا ، قَالَ : “اِنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ لَمْ يَكُنْ يَرْفَعُ يَدَيْهِ ، حَتَّى يَفْرَغَ مِنْ صَلَاتِهِ –
অর্থঃ- হযরত মুহাম্মাদ বিন আবী ইয়াহইয়া বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনি ঝুবাইর (রা)-কে দেখলাম, তিনি এক ব্যক্তিকে সালাত শেষ করার পূর্বেই দুহাত উঠিয়ে দুআ করতে দেখে বললেন, রাসূলুল্লাহ (স) কখনো সালাত থেকে ফারিগ না হয়ে দু’হাত উঠাতেন না। অর্থাৎ সালাত শেষ করে তবেই দু’হাত তুলে দুআ করতেন।
(মাযমাউ-ঝ ঝাওয়ায়িদ, দারু-ল ফিকর, বৈরুত, লেবানন, খণ্ড-১০, পৃ-২৬৬, হাদীছ নং ১৭৩৪৫; মুযামু-ল কাবীর লি-ত তাবারানী, পৃ-২২, খ-১১)
عَنْ اَبِى اُمَامَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : قِيْلَ لِرَسُوْلِ اللهِ ﷺ اَىُّ الدُّعَاءِ اَسْمَعُ ؟ قَالَ : جَوْفُ اللَّيْلِ الْاٰخِرِ وَدُبُرِ الصَّلَوَاتِ الْمَكْتُوْبَاتِ – رواه الترمذى وقال حديث حسن –
অর্থঃ- হযরত আবূ উমামাহ্ (রা) বর্ণনা করেন, রাসূলে আকরাম (সা)-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হলোঃ কোন্ সময়টায় দুআ বেশি কবূল হয়? তিনি বলেন, শেষ রাতের মাঝামাঝি এবং ফারজ সালাতের অব্যবহিত পর। (তিরমিজী, রিয়াদু-স সালিহীন-১৫০০)
👉 সারকথাঃ
ফরজ সালাতের অব্যবহিত পরে হাত তুলে দুআ করায় ক্ষতি নাই। বরং যারা করে তারা নিশ্চয়ই লাভবান হবে। আর যারা ভুল বুঝে মানুষকে বিরত রাখতে স্বচেষ্ট হয়, তাদেরকে তা না করতে বিরত হতে হবে। ধন্যবাদ সকলকে।

রাজকন্যা,,,

“গল্পটা একটু মন দিয়ে পরবেন আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে!

” একদিন এক বাদশাহ তার সহ পরিবার নিয়ে এক জঙ্গলে ঘুরতে গিয়েছিলেন!

হঠাৎ জঙ্গল থেকে বাদশার মেয়ে হারিয়ে যায়, বাদশাহ তার উজির নাজির দিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও মেয়ে কে না পেয়ে রাত্রি হয়ে যাওয়ায় রাজ প্রাসাদে চলে যান!

বাদশার মেয়ে জঙ্গল দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে একটা ঘর দেখতে পেলেন এবং জঙ্গলের ভয়ংকর প্রাণী থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য সেই ঘরে আশ্রয় চাইলেন!

সেই ঘর থেকে এক যুবক
বেরিয়ে আসলো,অতঃপর মেয়েটি
বললো আমি জঙ্গলে ঘুরতে আসছিলাম পথের মধ্যে আমার সঙ্গিদের হারিয়ে পথ ভুলে এখানে এসেছি!

আমায় কি আজ রাতটা আশ্রয় দিবেন?
যুবকটি আশ্রয় দিলো এবং তার যা খাবার ছিল মেয়েটি কেও খেতে দিল!

অতপর মেয়েটিকে বলল আপনি আমার বিছানায় ঘুমান, আমি ঘরের অপর প্রান্তে মাটিতে ঘুমাব,চাঁদর দিয়ে বিছানা থেকে ঘরের বাকি আংশ পর্দা করলেন!

মেয়েটি অত্যন্ত ভীতু হয়ে বিছানায় শুয়ে পড়লেন ,শুধু চোখ দুটি খোলা রেখে তা দিয়ে যুবকের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে রাখলেন, দেখলেন যুবকটি মোমবাতি জ্বালিয়ে একটি বই পরছেন!

হঠাৎ বইটি বন্ধ করে দিলেন এবং নিজের একটি আঙ্গুল মোমবাতির আগুনে অনেক্ষণ ধরে রাখলেন!

এভাবে তার হাতের সব আঙ্গুলই পুড়িয়ে ফেললেন,এটা দেখে মেয়েটি আরো বেশি ভীতু হয়ে পড়লেন, এবং ভয়ে তার কান্না চলে আসলো!

কিন্তু তার আক্রমনের ভয়ে জোরে কাঁদতেও পারছেন না, এভাবেই রাত কেটে গেল!

অতঃপর সকালে রাজ প্রাসাদ থেকে আসা উজির নাজিররা খুঁজতে খুঁজতে মেয়েটিকে পেয়ে গেলেন!

মেয়েটি রাজ প্রাসাদে গিয়ে তার বাবার কাছে সব খুলে বললেন,
অতঃপর বাদশাহ তার উজির নাজির দিয়ে এই যুবক ছেলেটিকে ডেকে পাঠালেন!

বাদশাহ যুবক ছেলেটিকে ঘটনার কারণ জিজ্ঞেস করলে,যুবক জবাবে বলেন শয়তান আমার মনে কুমন্ত্রণা দিতে থাকে ফলে আমি আমার পাপের শাস্তি জাহান্নামের আগুন শহিতে পারবো কিনা তা অনুভব করার জন্য আমি আমার হাতের আঙ্গুলে পুড়িয়েছি!

আল্লাহর কসম,
শয়তানের কুমন্তনাটি যেন আগুনের আঙ্গুল পুড়ানোর চেয়েও শক্তি শালী ছিলো,আল্লাহ শেষ পযন্ত আমাকে সাহায্য করছেন!

ঘটনা শুনে বাদশাহ খুব খুশি হলেন এবং যুবকের সততায় মুগ্ধ হয়ে তার এই সুন্দরী মেয়েকে যুবকের সাথে বিবাহ দিলেন।

আল্লাহ ভয়ে একরাত্রের উপভোগ বিসর্জন দেওয়ায়
আল্লাহ তায়ালা বিনিময়ে তার পুরো জীবন উপভোগ দ্বারা ভরে দিলেন।

সত্যিই আল্লাহর সন্তষ্টির জন্য কোন কিছু পরিত্যাগ করলে, আল্লাহ তায়ালা বিনিময়ে তার চেয়েও উৎকৃষ্টতর জিনিস দান করেন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সৎ পথে চলার তাওফিক দান করুক।
আমিন, ছুম্মা আমিন।

বিঃদ্রঃ ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সংশোধন করার সুযোগ দিবেন, ধন্যবাদ। মোঃ ইমরান খাঁন

কয়েকটি মৌলিক প্রশ্ন ও তার জওয়াব*


👉 ১. মানুষ কি?
উঃ মানুষ হোমো সাপিয়েন্স জাতের প্রাণী। তার বুদ্ধি, জ্ঞান ও বিবেক আছে বলেই সে হোমো সাপিয়েন্স জাতের প্রাণী হিসেবে স্বকৃত হয়েছে।
👉 ২. মানুষের মৌলিক বিশ্বাস ও ধ্যান-ধারণা কিরূপ হওয়া প্রয়োজন?
উঃ সৃষ্টির স্রষ্টা ও নিয়ন্ত্রক হিসেবে এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা। আরবীতে এর নাম তাওহীদ তথা একত্ববাদ, ইংরেজীতে (monotheism)(মোনোথিজম) ও oneness (ওয়ান্নেস) হয়ে থাকে।
👉 ৩. তাওহীদের মূলমন্ত্র কি?
উঃ তাওহীদের মূলমন্ত্রঃ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” অর্থাৎ মহান আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। আদী থেকে অন্ত পর্যন্ত এটিই তাওহীদের মূলমন্ত্র। কখনোও এটি পরিবর্তন যোগ্য নয়।
👉 ৪, মহান আল্লাহর মাহাত্ত্ব্য কি?
উঃ মহান আল্লাহর মাহাত্ত্ব্য হচ্ছে-
(১) মহান আল্লাহ আকাশ, পৃথিবী ও তন্মমধ্যস্থিত সকল কিছু এবং এসব কিছু পরিচালনার জন্য র্আশু-ল আজীম সৃষ্টি করেছেন। মানুষ এর মধ্যে একমাত্র সর্বশ্রেষ্ট সৃষ্টি এবং অন্য সকল কিছু কেবল মাত্র তারই জন্য।
(২) ফিরিশতারাজী মহান আল্লাহর নূরের এক অতুলনীয় সৃষ্টি। এরা মানবীয় গুণাবলী মুক্ত ও মহা শক্তির অধিকারী।
(৩) যিন জাতি মহান আল্লাহর একটি অপূর্ব সৃষ্টি।
(৪) মহান আল্লাহ মানুষ ও যিন জাতির চিরস্থায়ী গন্তব্য স্থান হিসেবে পরকালে যান্নাত ও যাহান্নাম সৃষ্টি করেছেন।
👉 ৫. মানুষের করনীয় কি?
মানুষের করনীয়ঃ মহান আল্লাহর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা ও তাঁর ইবাদাতে মশগুল রেখে নিজেকে তাওহীদ তথা একত্ববাদীরূপে প্রতিষ্ঠা করা।
👉 ৬. একজন তাওহীদবাদীর কি কি করা আবশ্যক?
উঃ তাওহীদবাদীর যা যা করা আবশ্যক ঃ
(১) মহান আল্লাহর প্রেরিত কিতাব আল কুরআনকে সংবিধান হিসেবে মান্য করা ও তা সর্বময় প্রতিষ্ঠা করতে স্বচেষ্ট থাকা।
(২) যুগে যুগে আল্লাহর প্রেরিত রাসুলদের প্রতি ঈমান রাখা ও সর্বশেষ রাসূল হাদ্বরাত মুহাম্মাদ (সা) এর প্রতি বিশ্বাস ও তাঁর রিসালাত প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করা।
(৩) মহান আল্লাহকে রাজী খুশী করতে সালাত আদায় করা ও তা ক্বায়িম করা।
(৪) মহান আল্লাহকে ‘রব’ তথা প্রতিপালনকারী হিসেবে জ্ঞান করা।
(৫) সৃষ্টিজীবের রিঝক্বদাতা হিসেবে মহান আল্লাহকে মান্য করা।
(৬) বিচার দিবস তথা ক্বিয়ামাতের দিন মানুষের কৃতকর্মের বিচার অনুষ্ঠানের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রেখে চলা।
(৭) কুফরী তথা আল্লাহর অ¯^ীকারের পর্যায় পড়ে এমন কর্মকাণ্ড বর্জন করা।
(৮) কাজে-কর্মে, বাণী-বক্তৃতায় ও আচার-আচরণে শিরক পরিহার করা।
(৯) নিফাক্বী তথা মুখে এক এবং অন্তরে এর বিপরিত নীতি বর্জন করা।
(১০) কাবীরাহ গোনাহ তথা সুদ, ঘুস, ব্যভিচার, জুল্ম, হত্যা ধরেনর সকল অন্যায় কর্ম থেকে দূরে থাকা।
(১১) দাওয়াতী ইলাল্লাহ ও ইসলাম প্রতিষ্ঠায় নিজেকে উৎসর্গ করা।
👉 ৭. তাওহীদের একনিষ্ঠ অনুসারী হলে এর কি ফলাফল রয়েছে?
উঃ তাওহীদের একনিষ্ঠ অনুসারী হলে এর যে ফলাফল রয়েছে তা হল-
(১) মানুষ হিসেবে প্রকৃত সত্য গ্রহণ করতে ও নিজেকে ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হওয়া।
(২) সমাজে সুন্দর ও বিবেকবান মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারা।
(৩) মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও রাজী-খুশী অর্জিত হওয়া এবং করোনার মত সকল গজব থেকে মুক্ত থাকা।
(৪) ইহকালীন তথা পার্থিব জীবনে শান্তি ও কল্যাণ হাছিল হওয়া।
(৫) পরকালীন মুক্তি ও সফলতার অধিকারী হওয়া।
(৬) বিনা হিসেবে ভয়ানক যাহান্নাম থেকে মুক্ত হয়ে নিআমাত পূর্ণ যান্নাতের অধিকারী হওয়া।
(৭) সর্বশেষ মহান আল্লাহর দিদার পেয়ে চির ধন্য হওয়া।
👉 ৮, তাওহীদের পরিপন্থী হলে তার কি কি কুফল রয়েছে?
উঃ তাহীদের পরিপন্থী হলে তার কুফল সমূহ নিম্নরূপ-
(১) নিজেকে মনুষ্যত্ব থেকে অপসারিত করে মিথ্যা ও অন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠা করা।
(২) নিজেকে জালিম তথা অন্যায়কারী রূপে সাব্যস্ত করা।
(৩) মহান আল্লাহর ক্রোধে নিপতিত হওয়া এবং করোনার মত ক্রমাগত ভয়াবহ বিপদ-আপদে নিপতিত হওয়ার উপযুক্ত হওয়া।
(৪) পার্থিব জীবনে সকল অশান্তি ও অকল্যাণ চেপে বসা।
(৫) পরকালীন ভয়ংকর আজাব-গজবে নিপতিত হওয়া।
(৬) যান্নাত থেকে চির বঞ্চিত হয়ে ভয়ানক যাহান্নামের অধিবাসী হওয়া।
(৭) মহান আল্লাহর দিদার বঞ্চিত হয়ে পিড়াদায়ক যাহন্নামে অনন্তকাল ব্যাপী পড়ে থাকা। লিখক মোঃ ইমরান খাঁন

লাইলাহা ইল্লাল্লাহ

মুক্তি দাও হে প্রভু

মুক্তি দাও হে বিধাতা
🗼🗼🗼🗼🗼🗼🗼🗼🗼🗼🗼🗼🗼🗼🗼
এমন ব্যাধি দিলে তুমি
বিশ্ব ভূমির তরে
উপাসনা করতে মানা
মসজিদের ওই ঘরে
হাজার মানু্ষ কাঁদে এখন
গভীর রজনীতে,
তুমি শাফি তুমি মাফি
পারো মুক্তি দিতে।
আকাশ বাতাস চন্দ্র তারা
ভারাকান্ত সবে,
চলতে যদি থাকে এমন
কেউ তো নাহি রবে!
মুক্তি দাও মুক্তি দাও
ওগো দয়াল প্রভু,
তুমি ছাড়া নাই যে মোদের
অন্য কোন প্রভু।
লিখক মো জাহিদু্ল ইসলাম খাঁন

Oh Allah forgive us,,

***Oh Allah! Turn back our Hearts to You if it goes astray, divert our thoughts from plotting any evil, assist us against the incitements of devils, and fill out our hearts with Iman.
হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরগুলি আপনার দিকে ফিরিয়ে দিন যদি এটি বিপথগামী হয়, কোনও চিন্তাভাবনা থেকে আমাদের চিন্তাভাবনা সরিয়ে দিন, শয়তানদের উস্কানির বিরুদ্ধে আমাদের সহায়তা করুন এবং আমাদের অন্তরকে ইমান দিয়ে পূর্ণ করুন।

Shabe Barat,,

❤️ Dua & Wazaif for Shab-e-Bar’at (English/Urdu) ❤️

السلام عليكم

Shab-e-Bar’at Mubarak to you all. This is a blessed night so take this opportunity to realise, repent and revive yourself. Begin tonight with:

  1. Seek forgiveness from parents, family, children, friends and all those you have wronged and hurt.
  2. Read this Durood Sharif 21 times:

اللَّهُمَّ صَلِّ صَلاةً كَامِلَةً وَسَلِّمْ سَلَاماً تَامّاً
عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ الَّذِي تَنْحَلُّ بِهِ الْعُقَدُ
وَتَنْفَرِجُ بِهِ الْكُرَبُ وَتُقْضَى بِهِ الْحَوَائِجُ
وَتُنَالُ بِهِ الرَّغَائِبُ وَحُسْنُ الْخَوَاتِمِ
وَيُسْتَسْقَى الْغَمَامُ بِوَجْهِهِ الْكَرِيمِ
وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ فِي كُلِّ لَمْحَةٍ وَنَفَسٍ
بِعَدَدِ كُلِّ مَعْلُومٍ لَكَ

Allahuma salli salatan kamilan wa sallim salaman tamanala Sayyidina Muhammadini ‘Lladi tanhalla bihi’l-uqad wa tanfarraju bihi ‘l-qurrab wa taqda bihi ‘l-hawa’ij wa tunalu bihi ‘l-ragha’ib, wa husna ‘l-khawatim wa yustasqa ‘l-ghamamu bi wajhihi ‘l-kareem wa ala alihi wa sahbihi fee kulli lamhatin wa nafasin bi-addadi kulli ma`luman lak

  1. Read 6 Rakahs of Nafl (2 each) after Maghrib Salah. Upon completion each 2 Rakahs recite Surah Yaseen once and Surah Ikhlaas 21 times. The intention for the first 2 rakahs should be long life, health and success, the second 2 rakahs should be protection from difficulties and disaster and the third 2 rakahs should be of complete reliance and dependence upon Allah for all matters.
  2. Finally recite the following Dua with your family and children:

اللَّهُمَّ يَا ذَا الْمَنِّ وَلَا يُمَنُّ عَلَيْهِ، يَا ذَا الْجَلَالِ وَالإِكْرَامِ، يَا ذَا الطَّوْلِ وَالإِنْعَامِ. لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ ظَهْرَ اللَّاجِئينَ، وَجَارَ الْمُسْتَجِيرِينَ، وَأَمَانَ الْخَائِفِينَ. اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ كَتَبْتَنِي عِنْدَكَ فِي أُمِّ الْكِتَابِ شَقِيًّا أَوْ مَحْرُومًا أَوْ مَطْرُودًا أَوْ مُقَتَّرًا عَلَيَّ فِي الرِّزْقِ، فَامْحُ اللَّهُمَّ بِفَضْلِكَ شَقَاوَتِي وَحِرْمَانِي وَطَرْدِي وَإِقْتَارَ رِزْقِي، وَأَثْبِتْنِي عِنْدَكَ فِي أُمِّ الْكِتَابِ سَعِيدًا مَرْزُوقًا مُوَفَّقًا لِلْخَيْرَاتِ، فَإِنَّكَ قُلْتَ وَقَوْلُكَ الْحَقُّ فِي كِتَابِكَ الْمُنَزَّلِ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكَ الْمُرْسَلِ: ﴿يَمْحُو اللهُ مَا يَشَاءُ وَيُثْبِتُ وَعِنْدَهُ أُمُّ الْكِتَابِ﴾، إِلهِي بِالتَّجَلِّي الْأَعْظَمِ فِي لَيْلَةِ النِّصْفِ مِنْ شَهْرِ شَعْبَانَ الْمُكَرَّمِ، الَّتِي يُفْرَقُ فِيهَا كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ وَيُبْرَمُ، أَنْ تَكْشِفَ عَنَّا مِنَ الْبَلَاءِ مَا نَعْلَمُ وَمَا لَا نَعْلَمُ وَمَا أَنْتَ بِهِ أَعْلَمُ، إِنَّكَ أَنْتَ الْأَعَزُّ الْأَكْرَمُ. وَصَلَّى اللهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ الأُمِّيِّ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ”.

Allāhumma yā Dhā ’l-Manni lā yamannu alayhi aħad, yā Dhā ’l-Jalāli wa ’l-Ikrām yā Dhā ‘ţ-Ţūli wa ’l-Anām. Lā ilāha illa Anta. Ļahara ’l-lāji’īn wa Jāru ’l-mustajirīn wa Amānu ’l-khā’ifīn. Allāhumma in kunta katabtanī indaka fī ummu ’l-Kitābi shaqīyan aw maħrūman aw maţrūdan aw muqataranalayya mina ’r-rizq famħu-llāhumma bi-faļlika shaqāwatī wa ħurmāni wa ţurdī wa iqtāra rizqī wa thabitnī indaka fī ummi ’l-kitābi saīdan wa marzūqan li ’l-khayrāti fa-innaka qulta wa qawluku ’l-ħaqq fī kitābik al-munzal ala lisāni nabīyyika ’l-mursal: yamħullāhu mā yashā’u wa yuthbitu waindahu Ummu ’l-Kitāb. Ilāhī bi ’t-tajallī al-āazhami fī lalayti ’n-nišfi min shahri shabāni ’l-muazhami ’l-mukarrami ’llatī yufraqu fīhā kullu amrin ħakīmin wa yubram, an takshifaannā mina ’l-balāi mā nalamu wa mā lā nalamu wa mā Anta bihi āalamu innaka Anta al-Aazzu ’l-Akram. Wa šalla-Allāhualā sayyidinā Muħammadin wa `alā ālihi wa šāħbihi wa sallam.

Make Allah accept it from you and me, protect us all and end this pandemic. Ameen

Syed Muhammad Husaini Ashraf

السلام عليكم

Aap Sabhi Ko Shab-e-Baraat Mubarak Ho. Ye Na Siri Ek Barkat Wali Raat Balke Hum Sabke Ke Liye Apne Nafs Ko Samajhne, Tauba Karne Aur Khud Ko Ihyaa Karne Ka Ahem Mauqa Bhi Hai. Aaj Ki Raat Maghrib Baad Aap Kuch Aise Aghaaz Karen:

  1. Apne Walidain, Gharwale, Bache, Dost Aur Jitne Logon Ka Apne Jaane Ya Anjaane Main Dil Dukhaya Ho, Unse Muaafi Talab Karen.
  2. Is Durood Shareef Ko 21 Baar Padhen:

اللَّهُمَّ صَلِّ صَلاةً كَامِلَةً وَسَلِّمْ سَلَاماً تَامّاً
عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ الَّذِي تَنْحَلُّ بِهِ الْعُقَدُ
وَتَنْفَرِجُ بِهِ الْكُرَبُ وَتُقْضَى بِهِ الْحَوَائِجُ
وَتُنَالُ بِهِ الرَّغَائِبُ وَحُسْنُ الْخَوَاتِمِ
وَيُسْتَسْقَى الْغَمَامُ بِوَجْهِهِ الْكَرِيمِ
وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ فِي كُلِّ لَمْحَةٍ وَنَفَسٍ
بِعَدَدِ كُلِّ مَعْلُومٍ لَكَ

Allahuma salli salatan kamilan wa sallim salaman tamanala Sayyidina Muhammadini ‘Lladi tanhalla bihi’l-uqad wa tanfarraju bihi ‘l-qurrab wa taqda bihi ‘l-hawa’ij wa tunalu bihi ‘l-ragha’ib, wa husna ‘l-khawatim wa yustasqa ‘l-ghamamu bi wajhihi ‘l-kareem wa ala alihi wa sahbihi fee kulli lamhatin wa nafasin bi-addadi kulli ma`luman lak

  1. Namaz-e-Maghrib Ke Baad Do Do Karne 6 Rakat Nafl Ada Karen. Har 2 Rakat Ke Baad 1 Baar Surah Yasin Aur 21 Baar Surah Ikhlaas Padhen. Pehli Do Rakat Ke Liye Lambi, Sehatmand Aur Kamyab Zindagi Ki Niyat Ho, Dosri 2 Rakat Ke Liye Waba Aur Mushkilon Se Nijaat Ki Niyat Ho Aur Teesri 2 Rakat Ke Liye Duniya Ki Muhtaji Se Hifazat Ki Niyat Ho.
  2. Akhir Main Ye Dua Padhen Aur Bachon Ko Bhi Padhayen:

اللَّهُمَّ يَا ذَا الْمَنِّ وَلَا يُمَنُّ عَلَيْهِ، يَا ذَا الْجَلَالِ وَالإِكْرَامِ، يَا ذَا الطَّوْلِ وَالإِنْعَامِ. لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ ظَهْرَ اللَّاجِئينَ، وَجَارَ الْمُسْتَجِيرِينَ، وَأَمَانَ الْخَائِفِينَ. اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ كَتَبْتَنِي عِنْدَكَ فِي أُمِّ الْكِتَابِ شَقِيًّا أَوْ مَحْرُومًا أَوْ مَطْرُودًا أَوْ مُقَتَّرًا عَلَيَّ فِي الرِّزْقِ، فَامْحُ اللَّهُمَّ بِفَضْلِكَ شَقَاوَتِي وَحِرْمَانِي وَطَرْدِي وَإِقْتَارَ رِزْقِي، وَأَثْبِتْنِي عِنْدَكَ فِي أُمِّ الْكِتَابِ سَعِيدًا مَرْزُوقًا مُوَفَّقًا لِلْخَيْرَاتِ، فَإِنَّكَ قُلْتَ وَقَوْلُكَ الْحَقُّ فِي كِتَابِكَ الْمُنَزَّلِ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكَ الْمُرْسَلِ: ﴿يَمْحُو اللهُ مَا يَشَاءُ وَيُثْبِتُ وَعِنْدَهُ أُمُّ الْكِتَابِ﴾، إِلهِي بِالتَّجَلِّي الْأَعْظَمِ فِي لَيْلَةِ النِّصْفِ مِنْ شَهْرِ شَعْبَانَ الْمُكَرَّمِ، الَّتِي يُفْرَقُ فِيهَا كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ وَيُبْرَمُ، أَنْ تَكْشِفَ عَنَّا مِنَ الْبَلَاءِ مَا نَعْلَمُ وَمَا لَا نَعْلَمُ وَمَا أَنْتَ بِهِ أَعْلَمُ، إِنَّكَ أَنْتَ الْأَعَزُّ الْأَكْرَمُ. وَصَلَّى اللهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ الأُمِّيِّ وَعَلَى آلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ”.

Allāhumma yā Dhā ’l-Manni lā yamannu alayhi aħad, yā Dhā ’l-Jalāli wa ’l-Ikrām yā Dhā ‘ţ-Ţūli wa ’l-Anām. Lā ilāha illa Anta. Ļahara ’l-lāji’īn wa Jāru ’l-mustajirīn wa Amānu ’l-khā’ifīn. Allāhumma in kunta katabtanī indaka fī ummu ’l-Kitābi shaqīyan aw maħrūman aw maţrūdan aw muqataranalayya mina ’r-rizq famħu-llāhumma bi-faļlika shaqāwatī wa ħurmāni wa ţurdī wa iqtāra rizqī wa thabitnī indaka fī ummi ’l-kitābi saīdan wa marzūqan li ’l-khayrāti fa-innaka qulta wa qawluku ’l-ħaqq fī kitābik al-munzal ala lisāni nabīyyika ’l-mursal: yamħullāhu mā yashā’u wa yuthbitu waindahu Ummu ’l-Kitāb. Ilāhī bi ’t-tajallī al-āazhami fī lalayti ’n-nišfi min shahri shabāni ’l-muazhami ’l-mukarrami ’llatī yufraqu fīhā kullu amrin ħakīmin wa yubram, an takshifaannā mina ’l-balāi mā nalamu wa mā lā nalamu wa mā Anta bihi āalamu innaka Anta al-Aazzu ’l-Akram. Wa šalla-Allāhualā sayyidinā Muħammadin wa `alā ālihi wa šāħbihi wa sallam.

Ya Allah Humari Ibadaton Ko Qubool Farma Aur Hum Sabki Hifazat Ke Saath Saath Is Waba Ka Khatam Farma De, Ameen.

Syed Muhammad Husaini Ashraf

হে যুবতি তোমাকে বলছি।

বোনদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা…
হে সুন্দরী মেয়েরা!
হে যুবতীরা মেয়েরা!
আজ বেপর্দা হয়ে যে রূপ তুমি পরপুরুষকে দেখিয়ে পাগল করে তুলছো,, কাল কেয়ামতে সেই রূপ পোকা-মাকড় আর বিষাক্ত সাপ-বিচ্ছুর খাবারে পরিনত হবে!
তুমি কি দেখোনি এমনো অনেক সুন্দরী যুবতী যারা একসময় তাদের রূপ দেখিয়ে পরপুরুষকে পাগল করে রাখতো, আজ তারাও মাটির সাথে মিশে গেছে! কোথায় গেলো তাদের রূপ আর যৌবন? –
কখনো কি মনে হয়না…
কি হবে এই রূপ দেখিয়ে?-
কি আনন্দ পরপুরুষকে রূপ দেখিয়ে আকৃষ্ট করার মাঝে?-
তোমাদের কি অন্যদের মতো মৃত্যুর স্বাধ গ্রহণ করতে হবে না? বোন একবার ভেবে দেখো মৃত্যুর সময় কি অবস্থা হবে তোমার! তুমি কি হবেনা করব পথের যাত্রী?-
তবে কিসে তোমার জাহান্নামের পথ পরিচালনা করছে একবার ভেবে দেখো!
ফিরে এসো বোন ইসলামের পথে
মেনে চলো আল্লাহর হুকুম!
মনে রেখো আজ তুমি পর্দাকে ছুড়ে ফেলে যেই আধুনিকতাকে বেছে নিয়েছো,, সেই আধুনিকতাই একদিন তোমাকে জাহান্নামের ভয়ংকর আগুনে ছুড়ে ফেলবে।।

হে যুবতি তোমাকে বলছি

বোনদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা…

হে সুন্দরী মেয়েরা!
হে যুবতীরা মেয়েরা!
আজ বেপর্দা হয়ে যে রূপ তুমি পরপুরুষকে দেখিয়ে পাগল করে তুলছো,, কাল কেয়ামতে সেই রূপ পোকা-মাকড় আর বিষাক্ত সাপ-বিচ্ছুর খাবারে পরিনত হবে!
তুমি কি দেখোনি এমনো অনেক সুন্দরী যুবতী যারা একসময় তাদের রূপ দেখিয়ে পরপুরুষকে পাগল করে রাখতো, আজ তারাও মাটির সাথে মিশে গেছে! কোথায় গেলো তাদের রূপ আর যৌবন? –
কখনো কি মনে হয়না…
কি হবে এই রূপ দেখিয়ে?-
কি আনন্দ পরপুরুষকে রূপ দেখিয়ে আকৃষ্ট করার মাঝে?-
তোমাদের কি অন্যদের মতো মৃত্যুর স্বাধ গ্রহণ করতে হবে না? বোন একবার ভেবে দেখো মৃত্যুর সময় কি অবস্থা হবে তোমার! তুমি কি হবেনা করব পথের যাত্রী?-
তবে কিসে তোমার জাহান্নামের পথ পরিচালনা করছে একবার ভেবে দেখো!

ফিরে এসো বোন ইসলামের পথে
মেনে চলো আল্লাহর হুকুম!
মনে রেখো আজ তুমি পর্দাকে ছুড়ে ফেলে যেই আধুনিকতাকে বেছে নিয়েছো,, সেই আধুনিকতাই একদিন তোমাকে জাহান্নামের ভয়ংকর আগুনে ছুড়ে ফেলবে।।

করুনার ভালো দিগ গুলি

করোনার ভালো দিকগুল
Md. Imran khan

(কথাগুলো আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে।)

১. অস্থির জীবনকে স্বস্থির দিকে এনেছে
২. দৈনন্দিন রুটিনে স্বাস্থসম্মত পরিবর্তন এনেছে
৩. রাতে আগে ঘুমানো ও ভোরে আগে ওঠার ব্যবস্থা করেছে
৪. চূড়ান্ত পর্যায়ের পরিচ্ছন্নতা শিখিয়েছে
৫. নিজেকে নিয়ে ভাবার সময় বের করেছে
৬. আত্মোন্নয়নের বিভিন্ন দিক খুলে দিয়েছে
৭. ধ্যান, মুরাকাবা, আত্মপর্যালোচনার সুযোগ করে দিয়েছে
৮. নিজের দুর্বলতাগুলো খুঁজে শক্তিশালী করার তাগিদ করছে
৯. স্কিল ডেভেলপ করার সময় বের করেছে
১০. পরিবার ও বাসাকে দ্বীনী পরিবেশে আনার সুযোগ করেছে
১১. জীবনের মূল কাজ, ভুল কাজ বুঝার সুযোগ দিচ্ছে
১২. সৎপথে চলতে উদ্বুদ্ধ করছে
১৩. অসৎ কাজ ও সব হারাম থেকে বাঁচার চিন্তা মাথায় ঢুকিয়েছে
১৪. গুনাহর সকল উপকরণ থেকে দূরে থাকতে বলছে
১৫. জীবনের অনিবার্য সত্য মৃত্যুর কথা সদা সামনে রাখছে
১৬. মৃত্যু পরবর্তী জীবনে মুক্তির জন্য প্রস্তুতি নিতে বলছে
১৭. কবর কোয়ারেন্টিন তথা মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকতে বলছে।
১৮. প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা রুটিন করে সুন্দরভাবে চলতে বলছে
১৯. ঠিকমত নামাজ, তিলাওয়াত, যিকির ও দোয়া-দুরুদের মাধ্যমে আল্লাহ পাকের প্রিয় হতে বলছে।
২০. মা-বাবা-আত্মীয়-স্বজনের খোঁজখবর নিতে বলছে।
২১. গরীব-দুঃখী, অভাবী, কর্মহীন দিনমজুর অসহায়দের সাহায্য করে সৌভাগ্যবান হতে বলছে।
২২. একটি পরিকল্পিত সুন্দর ইসলামি জীবন দর্শনে অভ্যস্ত করতে চাচ্ছে
২৩. যাতে আমরা জাহান্নাম থেকে বেঁচে জান্নাতে যেতে পারি।
২৪. পৃথিবীর সকল অপরাধী, দাম্ভিক, খোদাদ্রোহীদের নাস্তানাবুদ করে ছাড়ছে
২৫. মুমিনদেরকে পাক্কা মুমিন হওয়ার পথ খুলে দিয়েছে।
২৬. কিয়ামতের মাঠে কী পরিমাণ ইয়া নাফসি ইয়া নাফসি করতে হবে তা ভাবিয়েছে।
২৭. বিজ্ঞানের নিজস্ব কোনো শক্তি নেই, তা প্রমাণ করেছে।
২৮. সকল ক্ষমতার মালিক মহান আল্লাহ, সবার সামনে স্পষ্ট করেছে
২৯. বড় বড় দাম্ভিক সন্ত্রাসী অতি ক্ষুদ্র জীবাণুর কাছে ধরাশায়ী হওয়ার দৃশ্য বিশ্ববাসী দেখলো।
৩০. বিশ্বমানবমণ্ডলীকে এক আল্লাহর দাসত্ব করার কথা বলছে
৩১. ইহুদী রাষ্টে বন্ধ থাকা মসজিদ গুলি খোলে দিয়েছে।
৩২. মোসলমানদের কে হত্যা করা বন্ধ হয়েছে ।
৩৩. একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন সকল ধর্ম তা বুঝতে পেরেছে,

আর কী কী সুবিধা আপনার চোখে পড়ছে?

ভিটেমাটি

.

ভি টে মা টি
কবিতা
মোঃ ইমরান খাঁন
.
এখানে আমার পিতা মাতা পিতামহ
ঘুমিয়ে আছেন বন বিথীকার ছায়
এইখানে তুমি মুনাজাত তুলে কহো
মাফ করে যেনো গুনাহখাতা আল্লায়।
.
এখানে আমার সাত পুরুষের বাস
পরিচিত এই জনপদ ভিটেমাটি
এইখানে শুরু কতো উঁচু অভিলাষ
সবুজ বৃত্তের চারপাশ দিয়ে হাঁটি।
.
এখানে সাজানো জমি সাড়ে তিন হাত
সারা জীবনের জন্য নিয়েছি লীজ
এইখানে সুখে ঘুমাবোই দিন রাত
বুনি তাই খাঁটি নেক আমলের বীজ।
.
এখানে স্নিগ্ধ আলো দেয় রবি শশি
জীবন যাপন অনাবিল সুখে কাটে
এইখানে দেখি খালের পাড়েতে বসি
স্বজনেরা আসে মিরুখালীর হাটে।
.
এখানে আমার প্রিয় মানুষের সনে
অনেক মধুর প্রেম পিরিতির খেলা
এইখানে সব স্মৃতি রেখেছি মনে
ক্লান্ত পথিক জীবনের সাঁঝ বেলা।
.
এখানে জোয়ার ভরায় নদীর কূল
শুকায় নদী ভাটির স্রোতের টানে
এইখানে ফোটে হেনা জবা শিমুল
উদাস মাঝি ভাটিয়ালির গানে।
.
এখানে আমার হৃদয়ে স্বপ্ন জমা
মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় থাকি
এইখানে এই অছিয়ত প্রিয়তমা
গোপন স্বপ্ন তোমায় বলে রাখি।

Duah

***”যখন বান্দা কোনো কিছু চাওয়ার জন্য দুই হাত তুলে দোয়া করে,তখন আল্লাহ সেই দোয়া ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন।”🖤
  (তিরমিজি,৩৫৫৬).!!🌻”When a man raises his hands to ask for something, Allah is ashamed to return it.”
  (Tiramji, ৩৫৫৬). !!

Ya Allah give us Hidayh, ইয়া আল্লাহ হেদায়েত দান কর।

★★খারাপ মানুষ চেনার উপায়!👉★কখনও পরাজয় স্বীকার করে না★যুক্তিতে হারতে চায় না ★অহংকার করে কথা বলে। ★নিজের ক্ষমতা দেখাতে চেষ্টা করে★সব বিষয়ে পারদর্শিতা দেখায়★সবাইকে সন্দেহ করে ★সামান্য ব্যাপারে রেগে যায়,এবং আঘাত করার চেষ্টা করে ★ সত্য মিথ্যা বুঝাতে চায়★অন্যের সম্মান দেখানোকে দূর্বলতা ভাবে ★ কথায় কথায় তিরস্কার করে ★মানুষের দূর্বল জায়গায় আঘাত করে ★নিজের স্বার্থ আগে দেখে ★যে কোন প্রতিভাকে ছোট করে দেখে ★নিজেকে খুব বুদ্ধিমান মনে করে। ***Ameen

আমি পাগল।

কে পাগল 🤔🤔🤔

কবরে আমি আমরা থাকবো প্রায় ৪০,০০০ বছর ।

হাশরের মাঠে প্রায় ৫০,০০০ বছর।

পুল সিরাত প্রায় ৩০,০০০ বছর।

সব মিলিয়ে ১২০,০০০ বছর ( শুধু মৃত্যুর দিন থেকে জান্নাত বা জাহান্নামে ঢুকার আগের সময় )

আর দুনিয়ায় আমাদের হায়াত আনুমানিক প্রায় ৬০/৭০/৮০ বছর।

এর আগেও অনেকে মারা যায় আবার পরেও।

এখন চিন্তার বিষয় হল এই যে ছোট জীবন এইটা কি নিজের খায়েশ ইচ্ছে মত চলে মৃত্যুর পর বিশাল সময় কষ্ট করবেন নাকি এই অল্প সময়ে রবের ইচ্ছে মত কাজ করে আরামে থাকবেন !!!

দুনিয়ার হায়াত আখিরাত এর তুলনায় কিছুই না।

আরেক বার হিসেব করে দেখুন কে পাগল !!!

বাঁশ বাগানের মাঠি।

.
বাঁশবাগানের মাটি সারাক্ষণই ডাকে। আপনাদেরকেও কি ডাকে ? ?
.
বাঁশ বাগানের মাটি . . .
.
হাজার মানুষ গঞ্জে গ্রামে
শত জনপদ নানান নামে
আমিতো এখন মুক্ত স্বাধীন
দশ দিগন্তে হাঁটি
আমায় ডাকে প্রতিনিয়ত
বাঁশ বাগানের মাটি . . .
.
জীবন যাপন মহা আয়োজন
কতো প্রিয় সখা বন্ধু স্বজন
ঘর বাড়ী সংসার সাজানো
সুন্দর পরিপাটি
আমায় ডাকে প্রতিনিয়ত
বাঁশ বাগানের মাটি . . .
.
সুখ শান্তি মনের মাঠে
স্বপ্ন রঙিন খেলা
দিন রাত্রি বছর মাস
কেটে যায় সারা বেলা
জনসমুদ্রে একা মুসাফির
আশায় সাঁতার কাটি
আমায় ডাকে প্রতিনিয়ত
বাঁশ বাগানের মাটি . . .
.
গঞ্জে গ্রামে হাট বাজারে
লাভের পণ্য খুঁজি
হালাল হারাম মানি না কিছুই
বাড়াতেই থাকি পুঁজি
ব্যবসার ধন হারিয়ে যাবে
নেকির আমল খাঁটি
আমায় ডাকে প্রতিনিয়ত
বাঁশ বাগানের মাটি . . .
.
কবরের ডাকে সাড়া দিয়েছে
বাবা মা ভাই বোন
খাটিয়ায় রেখে কাঁধে নিয়ে গেছি
বন্ধু আপনজন
মাটির ঘরে কেউতো রাখে না
বিছিয়ে শীতল পাটি
আমায় ডাকে প্রতিনিয়ত
বাঁশ বাগানের মাটি . . .
.
সফরের পথে কোথায় কী হবে
কবর হাশর মিজানে
অচেনা পথের যাত্রী সবাই
শান্তি না সুখ কী জানে
নেই কারো জানা মরণের পরে
কোথায় আসল ঘাঁটি
আমায় ডাকে প্রতিনিয়ত
বাঁশ বাগানের মাটি . . .
.

ফির মূরিদ বর্জন করি।

যেসব ফিরেরা বা ফিরের মূরিদরা বলে, তারা মূরিদকে পার করবে, মূরিদরা বলে ফির বাবায় সুপারিশ করবে, তাঁহারা এই আয়াত টি ও আয়াতুল কুরছি, পড়ে ভালো করে বুঝে নিবেন। ফির মূরিদ বর্জন করুন কোরান সুন্নায় জিবন গরুন।

জন সচেতন।

“চুপ করে চাঁদ সুদূর গগণে, মহাসাগরের ক্রন্দন শোনে“– জাতীয় কবির অনিন্দ্যসুন্দর এ উপমা সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য নয়। বর্তমান অবস্থায় এ কাজগুলো করতে পারি কি-
১. আল্লাহতে বিশ্বাসীদের এ কথা দৃঢ়ভাবে মনে রাখা যে, ‘করোনা‘ আল্লাহর একটি সৃষ্টি। সুতরাং সর্বপ্রথম তাঁর কাছেই এর অনিষ্ট থেকে পানাহ চাওয়া, ২. দেশের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ও বিশেষজ্ঞগণের সকল পরামর্শ যথাযথভাবে মেনে চলা, ৩. করোনা ভীতি নয়, নিজে সচেতন থাকা ও অন্যকে সচেতন করার প্রাণান্তকর চেষ্টা করা, ৪. কারো সাবধানতাকে উপহাস না করে ভুল থাকলে পরামর্শ দেয়া, ৫. সমাজের সামর্থবানদের তিরস্কার না করে, নিজের সাহায্যের হাত বাড়ানো (১টা করে মাস্ক হলেও),৬. ধর্মীয় ও সাধারণভাবে দেয়া সচেতনতামূলক বক্তব্যগুলো নিয়ে বিবাদে লিপ্ত না হওয়া, ৭. ‘করোনা‘ বিষয়ে আবেগের সাথে যুক্তি নয়, জ্ঞানের সংযোগ ঘটানো।
জানামতে, সমাজের প্রতিটি মানুষই কিছু না কিছু করার চেষ্টা করছেন।

হে মানব জাতি শোন।

“প্রিয় মানুষজাতি,

মনে হয় না, আমার পরিচয় দেয়ার কোনো প্রয়োজন আছে। সবাই আমাকে নিয়ে কথা বলছে। এই যে ঘরের মধ্যে তোমাদের বন্দী জীবন কাটিয়ে সময় নষ্ট করা লাগছে তা তো আমার জন্যই। তবে আমি কিন্তু তোমাদের মতো না- আমার নষ্ট করার মতো এক মুহূর্তও নেই। তাই যা বলার তা সরাসরিই বলে ফেলছি। আমি এমন কিছু কথা বলব যা মিডিয়া তোমাদের কখনোই বলবে না।

সব মানুষই আমার কাছে সমান। চাই সে যুবক হোক কিংবা বৃদ্ধ, রোগী কিংবা রোগহীন, ধার্মিক কিংবা পাপী। আমাকে নিষ্ঠুর বলে অপবাদ দিয়ো না। আমি তো কেবল আমার সেই রবের কথা মেনে চলছি যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন।

আমি হচ্ছি সে, যে সব জালিম শাসকদেরকে মুসলিম সংখ্যালঘুদের নির্যাতন করতে দিচ্ছি না। আমি হচ্ছি সে, যে এই একুশ শতকের সব ফেরাউনকে নত করেছি, ওদের দম্ভ চূর্ণ করেছি। আমি হচ্ছি সে, যে সব নাইটক্লাব, মদের বার, পতিতালয়, জুয়া-মদ-সিগারেটের আসর বন্ধ করেছি। সব সুদখোরের মনে ভয় সৃষ্টি করেছি। সব কাফিরকে এখন বন্ধ দরজার পেছনে ভয় দেখিয়ে চলছি। আমি হচ্ছি সে, যে প্রত্যেক গুনাহগারের মনে ভয় সৃষ্টি করেছি, তাকে তাওবা করতে বাধ্য করেছি। খারাপ কাজ করলে তার প্রতিফল পেতে হবে- এটা আমিই তোমাদের বুঝতে বাধ্য করেছি।
আর আমি এসব করেছি বলে আমার গর্ব হয়। ক্ষমা চাওয়ার কিংবা লজ্জা পাওয়ার প্রশ্নই আসে না। লজ্জা তো সেসব পাথর-দিল মানুষের পাওয়া উচিত যে তাদের শিক্ষা দেয়ার জন্য আমার আসার প্রয়োজন হলো।

আমি জানি, তোমরা এখন অনেকে মনে মনে কী ভাবছ। হ্যাঁ, ঠিকই ভাবছ।

আমিই মসজিদের দরজাগুলো বন্ধ করে দিয়েছি। সত্যি বলতে, শুধু এই কাজটা করতেই আমার কষ্ট হয়েছে। কিন্তু কী করব! আল্লাহ তা‘আলার ফয়সালাও যে এটাই। আল্লাহর ঘর মসজিদে যেতে পারা, মসজিদে ফেরেশতাদের সানিধ্যে থাকতে পারা যে কতো সম্মানের ব্যাপার সেটা হয়তো এতোদিন বুঝতে পারোনি। এখন পারছ। আশ্চর্য, এতো অসাধারণ সম্মানটাকে বুঝতে পারার জন্যেও তোমাদের আমাকে প্রয়োজন হলো?

আজ তোমাদের পুরো জীবন স্থবির হয়ে গেছে আমার জন্যে।
আমার জন্যে, যে কিনা আল্লাহর খুবই ক্ষুদ্র সৃষ্টি। আচ্ছা, ভাবতে পারো যদি তিনি আমার আরো ভাইকে তোমাদের ওপর পাঠান তখন কী হবে? কিংবা কওমে লুতের মতো তোমাদের দেশগুলোকে উল্টিয়ে দেন তখন তোমরা কোথায় থাকবে? কোথায় থাকবে তোমাদের এই সম্পদ যদি তিনি শুয়াইব (আ)- এর লোকদের মতো তোমাদের ওপর আগুন বর্ষণ করেন? কোথায় যাবে তোমাদের নিজেকে বড়ো ভাবার অহম, যদি তিনি পৃথিবী দিয়ে কারুনের মতো তোমাদের মতো গিলে ফেলেন?

আমাকে দোষ দিও না। আমার কোনো দোষ নেই। ওয়াল্লাহি, দোষ তোমাদের। আমার রব বলেছেন, দোষ তোমাদের-

“ওদের প্রত্যেককেই আমি তার পাপের কারণে পাকড়াও করেছিলাম। তাদের কারো উপর আমি পাথরকুচির ঝড় পাঠিয়েছি, কাউকে পাকড়াও করেছি
বিকট আওয়াজ, কাউকে আবার মাটিতে দাবিয়ে দিয়েছি আর কাউকে পানিতে ডুবিয়ে দিয়েছি। আল্লাহ এমন নন যে, তাদের উপর যুলম করবেন বরং তারা নিজেরা নিজেদের ওপর যুল্‌ম করত।” (সূরা আনকাবুত, ২৯:৪০)

আমাকে ভয় করো না, ভয় তাঁকে করো যিনি আমাকে পাঠিয়েছেন।
কীভাবে আমার থেকে দূরে থাকবে এটা ভেবে নিজেকে ব্যস্ত রেখো না। বরং, তোমাদের রবের কাছে ফিরে যাও। তাঁর কাছে ক্ষমা চাও। তিনিই তো আমাকে পাঠিয়েছেন।

আমি-তুমি, আমরা সবাই তাঁর দয়ার ওপর নির্ভরশীল। আমাদের কপাল যে তাঁর হাতে!
তাঁর ইচ্ছাই আমার আদেশ। আর আমি কেবল তাঁকেই সিজদা করি। আমার দ্বারা কিংবা অন্য কিছুর দ্বারা কখনো নিজেকে ব্যস্ত রেখো না। আল্লাহর প্রশংসা করো। তাঁর প্রতি ভালো ধারণা রাখো।

আমি নিজের সম্পর্কে তোমাদের চেয়ে ভালো জানি। তাই বলছি-

তোমরা অনেকেই আমার কারণে মারা যাবে। যারা নেককার অবস্থায় মারা যাবে, তারা ভালোভাবেই আল্লাহর সাথে দেখা করবে। আর শহীদের মর্যাদা পাবার আশা করবে। কিন্তু যারা নিজের ইমানকে গুরুত্ব দেয়নি, কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে এ জীবন বাঁচেনি, তওবা করেনি- তারা খুব দ্রুতই বুঝবে তাদের আসল ক্ষতি কীসে হয়েছে? মৃত্যুতে নাকি তাদের নোংরা জীবনে!

আমি জানি না আর কতোক্ষণ আমার রব আমাকে তোমাদের কাছে রাখবেন। কখনো প্রচণ্ড ঝড় হবার আগের পরিবেশটা দেখেছ? কেমন নিস্তব্ধ। শান্ত। আমি সেই শান্ত প্রকৃতি যে তোমাদের আরো বড়ো ঝড়ের খবর দিচ্ছে। যখন সে ঝড় আসবে হয়তো তখন তোমরা বুঝতে পারবে- আমি অভিশাপ না বরং আশীর্বাদই ছিলাম।

আরেকবার তোমাদের মমতার স্বরে ডাকছি। কেবল আরেকটিবার বলছি-

ক্ষমা কি চাইবে তোমাদের রবের নিকট?
কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে কি বাঁচবে এ জীবন?
তোমাদের সব গুনাহ কি আজ থেকেই তওবা করে ছেড়ে দেবে?

ইতি,
তোমার অস্থায়ী অতিথি, শুভাকাঙ্ক্ষী ও আল্লাহর নগণ্য বান্দা
করোনা।”

[উস্তাদ আলি হাম্মুদার মূল লেখা থেকে অনুবাদকৃত; সংগ্রহে ড. মো মহসিন, ডীন আই.এস. এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ]

সত সংঘে সর্গে বাস অসত সংর্ঘে সর্বনাশ।

★( মুসলিম শরীফ;৫ম খন্ড;কিতাবুল ঈমান অধ্যায়; হাদিস নং-৪১০;পোষ্ট নং-১০০;বিষয়;ছোট আযাব) ★ ★★ আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) নূ”মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জাহান্নামীদের মধ্যে সব চেয়ে হালকা আযাব ঐ ব্যাক্তির হবে, যাকে এমন দুটি পাদুয়া পরিয়ে দেয়া হবে, যার তলা এবং ফিতা হবে আগুনের। ফলে এর দহনে (তার উপরে রাখা) পাতিলের মত মগজ উথলাতে থাকবে। আর তার অনুভব হবে যে, সে-ই বুঝি সর্বাপেক্ষা বেশি শান্তি ভোগ করছে; অথচ এটি হচ্ছে সব চেয়ে হালকা আযাব।

ফাগুনমাস

.
আজ ৩০শে ফালগুন। কোকিল ডাকা বসন্তের দিন। ঋতুরাজের এই শুভদিনে ফেসবুক বন্ধুদেরকে কবিতার ফেরিওয়ালা মুসাফির এর পক্ষ থেকে কাব্যময় শুভেচ্ছা . . .
.
এইতো ফাগুন . . .
.
এইতো ফাগুন দিন
কুহু সুরে ফিরে এলো
কোকিলের গান
দখিনা বাতাস শুরু
গাছে গাছে ফুটলো যে
সুবাসিত ফুল
আমের মুকুল
আহা !!!
আমের মুকুল . . .
.
চম্পা চামেলী বনে
হলুদের ছোঁয়া
কৃষ্ণচুড়ার ডালে
মেখেছে কে রঙ
হেসে ওঠে লাল ঠোঁটে
পলাশ শিমুল
আমের মুকুল
আহা !!!
আমের মুকুল . . .
.
ভোমরের পাখনায়
লেগেছে যে দোলা
সারাক্ষণ ফুলে ফুলে
গুন গুন গান
জোয়ারের ঢেউয়ে ভেজে
নদীর দু’কূল
আমের মুকুল
আহা !!!
আমের মুকুল . . .
.
ইচ্ছে পাখিরা আজ
মেলে দেয় ডানা
অভিসারে বাড়ে জ্বালা
পিরিতের ঋণ
আকুলি বিকুলি মনে
তৃষ্ণা ব্যাকুল
আমের মুকুল
আহা !!!
আমের মুকুল . . .
.

সমাজ ব্যবস্থা।

সমাজ ব্যবস্থার ভুমিকাঃ- ————————————— ★★ ঈমান মুসলমান হওয়া কিংবা ইসলাম গ্রহণ করার পূর্ব শর্ত। ঈমান অর্থ বিশ্বাস বা প্রত্যয়। শরয়ী পরিভাষায় ঈমানের অর্থ হলো আল্লাহ ও তার রাসূল (সঃ) সম্পর্কে অন্তরে বিশ্বাস রেখে মুখে স্বীকার করে আল্লাহ ও রাসূলের (সঃ) কথা অনুযায়ী আমল বা কাজ করা। তাই প্রকৃত ঈমানদার তো সেই, যে বিশ্বাস অনুযায়ী আমল করে। অর্থাৎ জীবনের সকল ক্ষেত্রে ঈমান ও আকিদার ভিত্তিতে ইসলামের বিধি নিষেধ মেনে চলা। কুর’আন মজীদে বার বার নাজাত ও সাফল্যের কথা বলা হয়েছে তাদেরই জন্যে, যারা ঈমান আনার সাথে সাথে আমলে ছালেহ করে অর্থাৎ ইসলামের বিধি নিষেধ মেনে চলে। আমল বস্তুত দু’ভাগে বিভক্তঃ–
১) ব্যক্তিগত আমল। অর্থাৎ যে সব কাজ ব্যক্তি পর্যায়ে সীমাবদ্ধ। যেমন পাক-পবিত্রতা অর্জন করা, নামায-রোজা, হজ্ব যাকাত আদায় করা। সুন্নাতের অনুসরণ করা।
২) সমষ্টিগত বা সমাজের সাথে সম্পর্কিত আমল। অর্থাৎ যা সব কাজ নিজে নিজে বা এক পক্ষের দ্বারা সম্ভব নয় বরং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে আর একজন বা অপরপক্ষের সাথে অতপ্রোতভাবে জরিত। যেমন আয়/উপার্জন। ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্ষেত-খামার, শিল্প-কারখানা, অফিস-আদালত, শালিশ/বিচার, শাসন-প্রশাসন, শিক্ষা/সংস্কৃতি ইত্যাদি। এ সব ক্ষেত্রে ঈমান ও আকিদা অনুযায়ী ইসলামের বিধি নিষেদ মেনে চলতে হলে সমাজে ব্যবস্থা ইসলামের অনুকূলে হওয়া নেহায়েত প্রয়োজন, অন্যথায় সম্ভব নয়। মূলত যে সমাজ সুদ ভিত্তিক অর্থ ব্যবস্থা এবং ঘুষ ভিত্তিক প্রশাসন, ধর্ম নিরেপেক্ষ ভিত্তিক শিক্ষা সংস্কৃতি ও মানব রচিতা মনগড়া শাসনের উপর প্রতিষ্ঠিত, সেখানে কোন ইমানদারের পক্ষে তার ঈমান অনুযায়ী আমল করা অসম্ভব। তাই পবিত্র আল কুর’আনে ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য তাগিদ দেয়া রয়েছে সর্বাধিক। কারণ ইসলাম নিছক কোন ধর্ম নয়, বরং ইসলাম পূর্ণাঙ্গ এবং ভারসাম্য পূর্ণ একটি জীবন বিধান। ইসলামী সমাজ ব্যবস্থাকে আল কুর’আনের পরিভাষায় বলা হয়েছে খিলাফত। মূলত সৃষ্টি গত ভাবেই মানুষ আল্লাহর খলীফা।স্মরণ কর সে সময়ের কথা ও মরণের পরের জীবনের কথা। “যখন তোমার প্রভু ফেরেশতাদেরকে বলেছিল আমি দুনিয়াতে আমার খলীফা নিযুক্ত করবো। (সূরা আল-বাকারাঃ ৩০)।
মানুষের জীবনে ব্যক্তি ও সমাজ পর্যায়ে খলীফা এবং খিলাফতের ব্যবস্থা আল্লাহ তায়ালার একটি স্থায়ী কর্মনীতি। তিনি (আল্লাহ) তো তোমাদেরকে যমীনে খলীফা নিয়োজিত করেন। তাই যুগে যুগে প্রত্যেক নবী-রাসূলগণকে তাদের জাতির উপর খলীফা করে পাঠিয়েছেন। যাতে তাদের উপর খিলাফত কায়েম করা যায়। এ ধারাবাহিকতায় হযরত দাঊদ(আঃ) কে ও আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,হে দাঊদ! আমি তোমাকে যমীনে খলীফা নিয়োগ করেছি। অতএব “তুমি লোকদের মধ্যে সত্য সহকারে শাসন পরিচালনা কর এবং নফসের খায়েশ এর অনুসরণ করো না। এমন করলে কিন্তু তোমাকে আল্লাহর পথ হতে দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে। (সূরা ছোয়াদ-২৬)।
এ ভাবে সর্বশেষ নবী ও রাসূল মুহাম্মদ (সঃ) এবং তার উম্মতকেও পৃথিবীতে খলীফা করেছেন, যাতে আল্লাহর বিধান কার্যকর করা হয়।
“অতঃপর তাদের (পূর্ববর্তী নবী রাসূল ও তাদের উম্মতগনের) পরে আমি তোমাদেরকে যমীনে খলীফা করেছি। (সূরা ইউনুছ-১৪)।
পবিত্র আল কুর’আন মানুষের প্রতি যে দাওয়াত পেশ করেছে তন্মধ্যে তাওহীদ, রিসালাত, আখিরাত ও খিলাফত এ ৪টি হল দাওয়াত। এ মূল দাওয়াত গুলোর মধ্যে খিলাফত এমন একটি বিষয় যাকে বাদ দিলে মুসলমানের কর্তব্য হল তার ঈমান অনুযায়ী জীবন যাপন করা। আর এ জন্যে প্রয়োজন অনুকূল পরিবেশ। তবে এ পরিবেশ সৃষ্টি করে থাকে এক মাত্র খিলাফত বা ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা। মানুষের জন্য সৎ পথের রাস্তা উন্মুক্ত করে দেয় আর অসৎ পথের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। যাদের হাতে সামাজিক পরিবেশ দূষিত হয়ে আছে, তাদেরকে সংশোধন কিংবা অপসারণ করা ব্যতীত ঈমানের উপর অটল থাকা কিংবা ঈমান অনুযায়ী আমল করা কোনটাই সম্ভব নয়। এ কারণে কোন নবী রাসূলই তাদের দাবীতে কারো সাথে কোন সময় আপোষ করেন নি। নবী রাসূলগণের প্রত্যেকের সাধারণ দাওয়াত ছিল “ইবাদত বা আনুগত্য হবে একমাত্র আল্লাহর” এবং “সৃষ্টি যার, আইন চলবেও তার।” পক্ষান্তরে বেঈমান বে-আমল শাসক গোষ্ঠী যাদেরকে শাসন করে, তারা মানুষে শাসনতান্ত্রিক ভাবে তাদের গোলামে পরিণত করে। মানুষের মনগড়া আইন দিয়ে মানুষকে শাসন করা হলে, সেখানে মানুষ আল্লাহর আনুগত্য বা তার আইন মেনে চলতে পারে না। তাই প্রত্যেক নবী রাসূল ও তাদের উম্মত হল যমীনে আল্লাহর খলীফা। তারা নিজেদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধান মেনে চলবে এবং সমগ্র মানুষের মধ্যে তা কার্যকর করবে। রাসূল (সঃ) যে দায়িত্ব পালন কর ছিলেন, যে পথে পাড়ি জমাচ্ছিলেন, তা যে আল্লাহরই পক্ষ থেকে অর্পিত, সে বিষয়ে রাসূলের (সঃ) বিন্দুমাত্র সংশয় ছিলো না। এ বিষয়ে রাসূলের (সঃ) একীন ছিলো সমস্ত মানুষের উপরে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ধরনের। আমার মনে হয় সে রকম একীনের কাছাকাছিও কোন মানুষ পৌছুতে পারে না। কেন না স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা তার সাথে কথা বলে ছিলেন। জিবরাইল (আঃ) তার নিকট আগমন করে ছিলেন। তার হৃদয় মুবারকের উপর অহী নাযীল হচ্ছিলো। আমাদের উম্মতের অংশতো শুধু এতোটুকুই, যা আমরা কুর’আনের এ বাক্যগুলোর প্রতি একীনের ধরন থেকে লাভ করি। এ-ই যথেষ্ট। আমরা যে তা হুবুহু লাভ করতে পারি।
“আর এ ভাবেই আমি তোমাদের (মুসলমানদের) কে একটি মাধ্যম পন্থানুসারী উম্মত বানিয়েছি, যেনো তোমরা দুনিয়ার লোকদের জন্য সাক্ষী হও।” – সূরা আল বাকারাঃ ১৪৩।
“হে ঈমানদার লোকেরা! তোমরা আল্লাহর সাহায্যকারী হয়ে যাও।” –(সূরা আস সফঃ-১৪)।
“তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে, যে আল্লাহকে ‘করযে হাসানা’ দিতে প্রস্তুত? তাহলে আল্লাহ তাকে কয়েকগুণ বেশি ফিরিয়ে দেবেন।”-(সূরা আল বাকারাঃ-২৪৫)।
কুর’আন মজীদে যে সব স্থানে নবী (সঃ) কে সম্বোধন করে (তুমি সন্দেহ পোষণকারী হয়ো না) বলা হয়েছে, সে সব স্থানে সম্বোধনের অন্তরালে বিরুদ্ধবাদীদের প্রতিই রাগ ও অসন্তুষ্টি প্রকাশ করা হয়েছে।

থাকবোনা শুধুই আমি।

** থাকবো না শুধুই আমি-ঐ চাঁদ ঐ তাঁরা ঐ আকাশ থাকবে সবই আগের মত শুধু থাকবো না আমি, ঐ সাগরের ঢেউ ঐ নদির জোয়ার ঐ পাহাড়ের ঝড়না সবই রবে আগের মত থাকবো না শুধুই আমি। এই বাড়ী এই গাড়ী এই সংসার সবই রবে পড়ে জানি যেতে হবে এক দিন সবই ছেরে পরপাড়ে ! মোঃ ইমরান খাঁন**

দুনিয়ার জিবন

★★”“দুনিয়ার জীবনকে আখিরাতের জন্য বিক্রি করলে আপনি দুই জীবনেই জয়ী হবেন।আখিরাতের জীবনকে দুনিয়ার জন্য বিক্রি করলে আপনি দুই জীবনেই পরাজিত হবেন।”★★

Ya Allah forgive us

*** আচ্ছালামোআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ, প্রিয় মোসলমান ভাই ও বোনেরা, সকলের প্রথি সালাম ও মোবারক বাদ, করুনা ভাইরাসের কারনে বিশ্ব বাসী আজ মহা সংকটে পড়েগেছ, এটি আল্লাহর দেওয়া আজাব ও গজব যা আমাদের কৃতকর্মের কারনেই হয়। এই জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আমোরা নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করি, এবং সকলে প্রথি দিন সালাতুল হাজাতের দুই রাকাত নামাজ পড়ি, এবং পবিত্র কোরানে ছয়টি আয়াতে শেপা আছে এই আয়াত গুলি সকাল সন্দায় পড়ি, ইনশাআল্লাহ আল্লাহ পাক আমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন ( তিনি ক্ষমাশিল অতি দয়ালু আল কোরান) ***

Jummah Mubarak

আজ পবিএ জুম্মার দিন আমোরা অনেকেই জুম্মার নামাজ পড়তে পারবোনা, মাসজিদ বন্ধ যে যে খানেই নামাজ পড়তে পারেন সকলের জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন আমাদেরকে করুনা ভাইরাসের বিপদ থেকে রক্ষা করেন আমিন।Today, on the day of the PBA Jumma, many people will not be able to offer Jummah prayers, pray anywhere for anyone who can read the mosque closed, may Allah protect us from the danger of the Karuna virus.

কালিমা

*** আমরা জানি,এই সামান্য একটি কালিমাই তো এক সময় গর্দান বিসর্জন দেয়ার মত শক্তি রাখতো!এই কালিমাই তো এক সময় আল্লাহর পথে সন্তান-সন্ততি অকাতরে বিলিয়ে দেবার হিম্মত ও মনোবল রাখতো। এই কালিমা এক সময় স্বীয় মাতৃভূমি ছাড়ার শক্তি যোগাত, ফাঁসির মঞ্চে তুলে ধরতো তার বাহককে অকুন্ঠচিত্তে,আর আজ?
আজ সেই কালিমা সামান্য শীতের মৌসুমে নামাযের জন্য গরম বিছানা থেকে তুলে আনতে পারেনা। যে কালিমা সারা জীবনের অকৃত্রিম বন্ধু শরাবকে শরীয়তের একটি নির্দেশেরই শারায় মুহূর্তে দূরে সরিয়ে দিয়েছে, পরিনত করেছে শত্রুতে,আর আজ একান্ত প্রয়োজনের ক্ষেত্রে এই কালিমা আপনাকে আপনার একটি সামান্য শখের আয়োজন থেকেও সরিয়ে আনতে পারেনা।***

কোরানের কথা।

কথা বলার নীতিঃ
১. কথা বলার পূর্বে সালাম দেয়া। ( সূরা নূরঃ ৬১)
২. সতর্কতার সাথে কথা বলা (কেননা প্রতিটি কথা রেকর্ড হয়) ( সূরা ক্বফঃ ১৮) ।
৩. সুন্দরভাবে ও উত্তমরূপে কথা বলা। ( সূরা বাক্বারাহঃ ৮৩; বুখারী হ/ ১৪১৩) ।
৪. অনর্থক ও বাজে কথা পরিহার করা। ( সূরা নূরঃ ৩; বুখারী হা/ ৩৫৫৯) ।
৫. কন্ঠস্বর নিচু করে কথা বলা। ( সূরা লুকমানঃ ১৯ সূরা হুজুরাতঃ ২ – ৩)
৬. বুদ্ধি খাটিয়ে কথা বলা। ( সূরা নামলঃ ১২৫)
৭. সঠিক কথা বলা ও পাপ মোচনের দুয়ার উন্মুক্ত করা । (সূরা আহযাবঃ ৭১ – ৭২) ।
৮. গাধার মত কর্কশ স্বরে কথা না বলা। ( সূরা লুকমানঃ ১৯; তিরমিযী হা/ ৪৮৫৯) ।
৯. উত্তম কথা বলে শত্রুকেও বন্ধুতে পরিণত করা ( সূরা হা- মীম সাজদাহঃ ৩৪) ।
১০. উত্তম কথায় দাওয়াত দেয়া। ( সূরা হা- মীম সাজদাহঃ ৩৪) ।
১১. ঈমানদারদের কথা ও কাজ এক হওয়া। ( সূরা ছফঃ ২) ।
১২. পরিবারের সদস্যদের প্রতি ক্ষমার নীতি অবলম্বন করা । ( সূরা অারাফঃ ১৯৯) ।
১৩. মেয়েরা পর পুরুষের সাথে আকর্ষণীয় ও কোমল ভাষায় কথা না বলা। ( সূরা আহযাবঃ ৩২) ।
১৪. ছেলেরা পর নারীর সাথে আকর্ষণীয় ও কোমল ভাষায় কথা না বলা।
১৫.মূর্খ ও অজ্ঞদের সাধ্যমত এড়িয়ে চলা। ( সূরা ফুরকানঃ ৬৩) ।
(১৬) হাসি মুখে কথা বলা।
★তিনটি জিনিস একবার আসেঃ
(১)মাতা-পিতা (২) সৌন্দর্য্য (৩) যৌবন।
★তিনটি জিনিস ফিরিয়ে আনা যায়নাঃ
(১) বন্দুকের গুলি (২) কথা (৩) রূহ। .
★তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসেঃ (১) সু-সন্তান (২) সদকা (৩) ইলম।
★তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করেঃ
(১)চুরি (২) চোগল খুরী (৩) মিথ্যা । .
★তিনটিজিনিস পেরেশানিতে রাখেঃ
(ً ১)হিংসা (২) অভাব (৩) সন্দেহ। .
★তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রেখোঃ
(১) উপদেশ(২) উপকার (৩) মৃত্যু। .
★তিনটি জিনিসকে আয়ত্বে রেখোঃ
(১) রাগ (২)জিহবা (৩)অন্তর। .
★তিনটি জিনিস অভ্যাস করঃ
(১) সালাত (২) সত্য বলা (৩)হালাল রিযিক।
.
★তিনটি জিনিস থেকে দূরে থেকোঃ
(১) মিথ্যা (২) অহংকার (৩)অভিশাপ। .
★তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার করঃ
(১)কলম (২) কসম (৩) কদম।
আল্লাহ্ আমাদেরকে সঠিক ভাবে আমল করার তওফিক দান করুন।” আমিন।”