রাজকন্যা,,,

“গল্পটা একটু মন দিয়ে পরবেন আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে!

” একদিন এক বাদশাহ তার সহ পরিবার নিয়ে এক জঙ্গলে ঘুরতে গিয়েছিলেন!

হঠাৎ জঙ্গল থেকে বাদশার মেয়ে হারিয়ে যায়, বাদশাহ তার উজির নাজির দিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও মেয়ে কে না পেয়ে রাত্রি হয়ে যাওয়ায় রাজ প্রাসাদে চলে যান!

বাদশার মেয়ে জঙ্গল দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে একটা ঘর দেখতে পেলেন এবং জঙ্গলের ভয়ংকর প্রাণী থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য সেই ঘরে আশ্রয় চাইলেন!

সেই ঘর থেকে এক যুবক
বেরিয়ে আসলো,অতঃপর মেয়েটি
বললো আমি জঙ্গলে ঘুরতে আসছিলাম পথের মধ্যে আমার সঙ্গিদের হারিয়ে পথ ভুলে এখানে এসেছি!

আমায় কি আজ রাতটা আশ্রয় দিবেন?
যুবকটি আশ্রয় দিলো এবং তার যা খাবার ছিল মেয়েটি কেও খেতে দিল!

অতপর মেয়েটিকে বলল আপনি আমার বিছানায় ঘুমান, আমি ঘরের অপর প্রান্তে মাটিতে ঘুমাব,চাঁদর দিয়ে বিছানা থেকে ঘরের বাকি আংশ পর্দা করলেন!

মেয়েটি অত্যন্ত ভীতু হয়ে বিছানায় শুয়ে পড়লেন ,শুধু চোখ দুটি খোলা রেখে তা দিয়ে যুবকের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে রাখলেন, দেখলেন যুবকটি মোমবাতি জ্বালিয়ে একটি বই পরছেন!

হঠাৎ বইটি বন্ধ করে দিলেন এবং নিজের একটি আঙ্গুল মোমবাতির আগুনে অনেক্ষণ ধরে রাখলেন!

এভাবে তার হাতের সব আঙ্গুলই পুড়িয়ে ফেললেন,এটা দেখে মেয়েটি আরো বেশি ভীতু হয়ে পড়লেন, এবং ভয়ে তার কান্না চলে আসলো!

কিন্তু তার আক্রমনের ভয়ে জোরে কাঁদতেও পারছেন না, এভাবেই রাত কেটে গেল!

অতঃপর সকালে রাজ প্রাসাদ থেকে আসা উজির নাজিররা খুঁজতে খুঁজতে মেয়েটিকে পেয়ে গেলেন!

মেয়েটি রাজ প্রাসাদে গিয়ে তার বাবার কাছে সব খুলে বললেন,
অতঃপর বাদশাহ তার উজির নাজির দিয়ে এই যুবক ছেলেটিকে ডেকে পাঠালেন!

বাদশাহ যুবক ছেলেটিকে ঘটনার কারণ জিজ্ঞেস করলে,যুবক জবাবে বলেন শয়তান আমার মনে কুমন্ত্রণা দিতে থাকে ফলে আমি আমার পাপের শাস্তি জাহান্নামের আগুন শহিতে পারবো কিনা তা অনুভব করার জন্য আমি আমার হাতের আঙ্গুলে পুড়িয়েছি!

আল্লাহর কসম,
শয়তানের কুমন্তনাটি যেন আগুনের আঙ্গুল পুড়ানোর চেয়েও শক্তি শালী ছিলো,আল্লাহ শেষ পযন্ত আমাকে সাহায্য করছেন!

ঘটনা শুনে বাদশাহ খুব খুশি হলেন এবং যুবকের সততায় মুগ্ধ হয়ে তার এই সুন্দরী মেয়েকে যুবকের সাথে বিবাহ দিলেন।

আল্লাহ ভয়ে একরাত্রের উপভোগ বিসর্জন দেওয়ায়
আল্লাহ তায়ালা বিনিময়ে তার পুরো জীবন উপভোগ দ্বারা ভরে দিলেন।

সত্যিই আল্লাহর সন্তষ্টির জন্য কোন কিছু পরিত্যাগ করলে, আল্লাহ তায়ালা বিনিময়ে তার চেয়েও উৎকৃষ্টতর জিনিস দান করেন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সৎ পথে চলার তাওফিক দান করুক।
আমিন, ছুম্মা আমিন।

বিঃদ্রঃ ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সংশোধন করার সুযোগ দিবেন, ধন্যবাদ। মোঃ ইমরান খাঁন

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s